ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ঢাকার বুকে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী এক গর্ব ও অহংকারের নাম মাগুরা লায়ন্স ক্রিকেট ক্লাব শ্রীপুরে সবুজ আন্দোলনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বিআরটিসির বাসেও চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সৌদির সঙ্গে কাল বাংলাদেশেও হতে পারে ঈদ শ্রীপুরে দেশ ও প্রবাসী সমন্বয় কল্যাণ তহবিলের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানাল ফায়ার সার্ভিস চৌদ্দগ্রামে আলকরা প্রবাসী কল্যাণ’র উদ্যাগে ইমাম খতিবদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্রিতে সিম কিনে বিপাকে অর্ধশত পরিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব হস্তান্তর
ব্রেকিং নিউজ ::

 ৭কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু: ২১ মার্চ ২০২৪,আবেদন শেষ: ২৫ এপ্রিল ২০২৪ * এ বছর জনপ্রতি ফিতরার হার সর্বনিন্ম ১১৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৯৭০ টাকা *

আর্থিক সমস্যা থাকলে ছেলে সন্তানের জন্য একটি ছাগল আকিকা করা যাবে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৩৫৯৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিশুর জন্মের পর আকিকা দেওয়া ইসলামের একটি বিধান। প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে নবজাতকের জন্য আকিকা দিতে উৎসাহ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘সন্তানের সঙ্গে আকিকার বিধান রয়েছে। তোমরা তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত করো (অর্থাৎ পশু জবাই করো) এবং সন্তানের শরীর থেকে কষ্টদায়ক বস্তু (চুল) দূর করে দাও।’ (বুখারি: ৫৪৭২)

ছেলে সন্তানের জন্য সাধারণত দুইটি ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি বকরি আকিকা করা সুন্নত। (ফতোয়ায়ে শামি: ৬/৩৩৬) তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। ছেলের পক্ষ থেকে একটি বকরি আকিকা করলেও মোস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে। যদিও দুটি করা উত্তম। (রদ্দুল মুহতার: ৫/২১৩, আল মাউসুআতুল ফিকহিয়্যাহ: ৩০/২৭৭)

অতএব, আর্থিক সমস্যা থাকলে ছেলেসন্তানের জন্য একটি বকরি আকিকা করলে সমস্যা নেই এবং তাতে আকিকার সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।

সন্তান ভূমিষ্ঠের সপ্তম দিন আকিকা করা উত্তম। সপ্তম দিন মনে রাখার একটি সহজ পদ্ধতি হলো, সপ্তাহের যে দিনটিতে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে, যেমন—শুক্রবার, পরবর্তী সপ্তাহে ঠিক এর আগের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আকিকা আদায় করলে তা সপ্তম দিনে পড়বে। (আবু দাউদ: ২৮৩৭)

যদি কেউ কারণবশত সপ্তম দিন না করতে পারে, তবে পরবর্তী সময়ে যেকোনো দিন আদায় করতে পারবে। অর্থাৎ পরবর্তীতে সুযোগমতো যেকোনো সময় তা আদায় করবে। (ইবনুল কাইয়িম, তুহফাতুল মাওদুদ: ৬৩ পৃ; ফতোয়া লাজনা দায়েমা: ১৭৭৬; মাজমু ফতোয়া উসাইমিন: ২৫/২১৫)

আকিকার গোশতের হুকুম কোরবানির গোশতের মতোই। কাঁচা ও রান্না করা উভয়টিই বণ্টন করা যাবে। সর্বস্তরের লোক তা খেতে পারবে। এমনকি নিজের মা-বাবা, নানা-নানি, ধনী-গরিব সবাই নিশ্চিন্তে আকিকার গোশত খেতে পারবে। (ফতোয়ায়ে শামি: ৬/৩৩৬)

আকিকার জন্য বকরির বয়স এক বছর হওয়া শর্ত। এর কম বয়সী বকরি দিয়ে আকিকা শুদ্ধ হবে না। যেহেতু কোরবানিতে খাসি দেওয়া উত্তম, তাই আকিকাতেও খাসি দেওয়াই উত্তম। জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (স.) কোরবানির দিন দুটি শিংওয়ালা, সাদা কালো রংওয়ালা খাসি করা বকরি জবাই করেন।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২৭৯৫)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আর্থিক সমস্যা থাকলে ছেলে সন্তানের জন্য একটি ছাগল আকিকা করা যাবে?

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শিশুর জন্মের পর আকিকা দেওয়া ইসলামের একটি বিধান। প্রিয়নবী (স.) উম্মতকে নবজাতকের জন্য আকিকা দিতে উৎসাহ দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘সন্তানের সঙ্গে আকিকার বিধান রয়েছে। তোমরা তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত করো (অর্থাৎ পশু জবাই করো) এবং সন্তানের শরীর থেকে কষ্টদায়ক বস্তু (চুল) দূর করে দাও।’ (বুখারি: ৫৪৭২)

ছেলে সন্তানের জন্য সাধারণত দুইটি ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি বকরি আকিকা করা সুন্নত। (ফতোয়ায়ে শামি: ৬/৩৩৬) তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। ছেলের পক্ষ থেকে একটি বকরি আকিকা করলেও মোস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে। যদিও দুটি করা উত্তম। (রদ্দুল মুহতার: ৫/২১৩, আল মাউসুআতুল ফিকহিয়্যাহ: ৩০/২৭৭)

অতএব, আর্থিক সমস্যা থাকলে ছেলেসন্তানের জন্য একটি বকরি আকিকা করলে সমস্যা নেই এবং তাতে আকিকার সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।

সন্তান ভূমিষ্ঠের সপ্তম দিন আকিকা করা উত্তম। সপ্তম দিন মনে রাখার একটি সহজ পদ্ধতি হলো, সপ্তাহের যে দিনটিতে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে, যেমন—শুক্রবার, পরবর্তী সপ্তাহে ঠিক এর আগের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আকিকা আদায় করলে তা সপ্তম দিনে পড়বে। (আবু দাউদ: ২৮৩৭)

যদি কেউ কারণবশত সপ্তম দিন না করতে পারে, তবে পরবর্তী সময়ে যেকোনো দিন আদায় করতে পারবে। অর্থাৎ পরবর্তীতে সুযোগমতো যেকোনো সময় তা আদায় করবে। (ইবনুল কাইয়িম, তুহফাতুল মাওদুদ: ৬৩ পৃ; ফতোয়া লাজনা দায়েমা: ১৭৭৬; মাজমু ফতোয়া উসাইমিন: ২৫/২১৫)

আকিকার গোশতের হুকুম কোরবানির গোশতের মতোই। কাঁচা ও রান্না করা উভয়টিই বণ্টন করা যাবে। সর্বস্তরের লোক তা খেতে পারবে। এমনকি নিজের মা-বাবা, নানা-নানি, ধনী-গরিব সবাই নিশ্চিন্তে আকিকার গোশত খেতে পারবে। (ফতোয়ায়ে শামি: ৬/৩৩৬)

আকিকার জন্য বকরির বয়স এক বছর হওয়া শর্ত। এর কম বয়সী বকরি দিয়ে আকিকা শুদ্ধ হবে না। যেহেতু কোরবানিতে খাসি দেওয়া উত্তম, তাই আকিকাতেও খাসি দেওয়াই উত্তম। জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (স.) কোরবানির দিন দুটি শিংওয়ালা, সাদা কালো রংওয়ালা খাসি করা বকরি জবাই করেন।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২৭৯৫)