জবি মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি রাব্বানী,সম্পাদক মাহদী
- আপডেট সময় : ১১:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৯৬৯৩ বার পড়া হয়েছে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাব(এমডিসি) এর ২০২৫-২৬ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।নতুন এই কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাব্বানী রাশহা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাহদী মোহাম্মদ।
২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান এবং ক্লাব এডভাইজর অধ্যাপক ড.ইমরানুল হক এবং ক্লাব মডারেটর অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মাহফুজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির অনুমোদন দেন।
নতুন এই কমিটির অন্যান্য পদে মনোনীত হয়েছেন,ভাইস প্রেসিডেন্ট জয় আচার্য, পুনম মজুমদার,
যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সামিহা সারওয়ার নাহরিন এবং ইফরাত জাহান প্রভা, অর্থ সম্পাদক আরিফ আসলাম, দপ্তর সম্পাদক সুমাইয়া সুমা, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসাইন নাঈম, প্রচার সম্পাদক সাদিয়া ইসলাম ইকরা, ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ সম্পাদক রুদ্র বিশ্বাস জিতু, তথ্য এবং গবেষণা সম্পাদক আব্দুর রহমান আনাস।
বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং ক্লাব এডভাইজর কমিটির অনুমোদন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক জানান, “ বিতার্কিক দের অগ্রণী ভূমিকা আমরা সমাজ এবং রাষ্ট্রে সর্বদা দেখতে পাই, সবার চেয়ে অগ্রণী এবং ভিন্নধর্মী চিন্তাধারায় মার্কেটিং বিভাগ থেকে শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কে তুলে ধরতে মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাব সফলতার ধারা বজায় রাখবে।”
ক্লাব মডারেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মাহফুজ বলেন,“এমডিসি এর নতুন নেতৃত্ব তাদের গুণগত মান দিয়ে ডিপার্টমেন্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয় কে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”
মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি রাব্বানী রাশহা বলেন,
“গণতান্ত্রিক সমাজে যুক্তিনির্ভর মত প্রকাশ ও সহনশীল ভিন্নমত অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতন নাগরিকবোধ, ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীল কণ্ঠস্বর তৈরি করাই মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাবের লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, সুস্থ বিতর্কই সচেতন সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ। তাই এই প্ল্যাটফর্ম সবসময় মুক্তচিন্তা ও গঠনমূলক মতবিনিময়ের পক্ষে অবস্থান নেবে।”
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মাহদী মোহাম্মদ বলেন “মানবের মুক্তচিন্তার ক্রমবর্ধমান ধারার বিকাশে মার্কেটিং ডিবেটিং ক্লাব তার দায়িত্ব অব্যাহত রাখবে। শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও ব্যক্তিগত বিকাশে আমরা বদ্ধপরিকর, এবং এই প্ল্যাটফর্মকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অগ্রসর চিন্তার ক্ষেত্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”












