ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত অবিবাহিত তরুণীর নামে মাতৃত্বকালীন ভাতা নেন চেয়ারম্যান  শ্রীপুরে পীর-আওলিয়ার মাজার জিয়ারতের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাজন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পুরস্কার পেলেন কুবির চার শিক্ষার্থী জাতীয় পদক প্রাপ্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক কাজী ফয়জুর রহমানের দাফন সম্পন্ন শ্রীপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ঢাকার বুকে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী এক গর্ব ও অহংকারের নাম মাগুরা লায়ন্স ক্রিকেট ক্লাব শ্রীপুরে সবুজ আন্দোলনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বিআরটিসির বাসেও চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সৌদির সঙ্গে কাল বাংলাদেশেও হতে পারে ঈদ
ব্রেকিং নিউজ ::

 ৭কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু: ২১ মার্চ ২০২৪,আবেদন শেষ: ২৫ এপ্রিল ২০২৪ * এ বছর জনপ্রতি ফিতরার হার সর্বনিন্ম ১১৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৯৭০ টাকা *

তিতাসে গাঁজাসেবনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামে সংঘর্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩
  • / ৩৫৯০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হালিম সৈকত-তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।

গাঁজা সেবনকে কেন্দ্র করে তিতাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৫ মে সোমবার রাত সাড়ে সাতটায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে একটানা পৌনে নয়টা পর্যন্ত। ঘটনাটি ঘটে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতলী ও আলীনগর গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কদমতলী আলীনগর কালভার্টের নিকট জমিতে ৫-৬ জন যুবক বসে গাঁজা সেবন করছিল। আলীনগর গ্রামের নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন রাস্তা দিয়ে যাবার সময় যুবকদের কি করছো জিজ্ঞেস করায় তারা জানায় গাঁজা খাই। এই নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে পরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়। আহতরা হলো নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন, মহসিন সরকারের ছেলে মোসলেহ উদ্দিন, মৃত জুলহাস মিয়ার ছেলে শাহিন, আজগর আলীর ছেলে জিলানী, কদমতলী গ্রামের মোর্শেদ ও তার ভাই কাশেম। কাশেম গুরুতর আহত হয়ে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে। ঘটনার প্রায় এক ঘন্টা পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই বিষয়ে, তিতাস থানার ওসি সুধিন চন্দ্র দাস বলেন, কল পাওয়ার পরপরই আমি এসআই মাজহারুল ও এইআই তপনকে ঘটনাস্থলে পাঠাই এবং সাথে সাথে আমিও চলে আসি। রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে আসতে ১০-১৫ মিনিট সময় লেগেছে। তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা হতে পারে না। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সংঘর্ষে কদমতলী গ্রামের যারা নেতৃত্ব দেয় তারা হলো, বুইদ্দা মিয়ার ছেলে ইয়াকুব, মুর্শিদ মিয়ার ছেলে হাসান, জাকিরের ছেলে ফয়সাল, মায়া মেম্বারের ছেলে নাঈম, সোহেল, আরিফ ও রমিজ প্রমূখ।

অপরদিকে আলীনগর গ্রামের নেতৃত্ব দেন নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন, মহসিন সরকারের মোসলেহ উদ্দিনসহ আরও অনেকে। কদমতলী গ্রামের মোর্শেদ মিয়া বলেন,মহসীন সরকারের ছেলেকে কদমতলী গ্রামের ছেলে ধরে নিয়ে আসে আমরা মুরব্বিরা তাকে ছেড়ে দেই। ছাড়া পেয়ে সে রাম দা, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

মোসলেহ বলেন, আমি পানির স্কীমে বসে আছি। কোন কারণ ছাড়াই তারা আমাকে তুলে নিয়ে বেড়ক মারধর করে। মায়া মেম্বারের ছেলে নাঈমের নেতৃত্বে দা, চাইনিজ কুড়াল, শাবল, চল, রাম দা ও লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের গ্রামে এসে হামলা চালায়। আমরা এর বিচার চাই।
বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তিতাসে গাঁজাসেবনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামে সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০১:১০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

হালিম সৈকত-তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।

গাঁজা সেবনকে কেন্দ্র করে তিতাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৫ মে সোমবার রাত সাড়ে সাতটায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে একটানা পৌনে নয়টা পর্যন্ত। ঘটনাটি ঘটে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতলী ও আলীনগর গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কদমতলী আলীনগর কালভার্টের নিকট জমিতে ৫-৬ জন যুবক বসে গাঁজা সেবন করছিল। আলীনগর গ্রামের নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন রাস্তা দিয়ে যাবার সময় যুবকদের কি করছো জিজ্ঞেস করায় তারা জানায় গাঁজা খাই। এই নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে পরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়। আহতরা হলো নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন, মহসিন সরকারের ছেলে মোসলেহ উদ্দিন, মৃত জুলহাস মিয়ার ছেলে শাহিন, আজগর আলীর ছেলে জিলানী, কদমতলী গ্রামের মোর্শেদ ও তার ভাই কাশেম। কাশেম গুরুতর আহত হয়ে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে। ঘটনার প্রায় এক ঘন্টা পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই বিষয়ে, তিতাস থানার ওসি সুধিন চন্দ্র দাস বলেন, কল পাওয়ার পরপরই আমি এসআই মাজহারুল ও এইআই তপনকে ঘটনাস্থলে পাঠাই এবং সাথে সাথে আমিও চলে আসি। রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে আসতে ১০-১৫ মিনিট সময় লেগেছে। তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা হতে পারে না। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সংঘর্ষে কদমতলী গ্রামের যারা নেতৃত্ব দেয় তারা হলো, বুইদ্দা মিয়ার ছেলে ইয়াকুব, মুর্শিদ মিয়ার ছেলে হাসান, জাকিরের ছেলে ফয়সাল, মায়া মেম্বারের ছেলে নাঈম, সোহেল, আরিফ ও রমিজ প্রমূখ।

অপরদিকে আলীনগর গ্রামের নেতৃত্ব দেন নোয়াব ভূইয়ার ছেলে কবির হোসেন, মহসিন সরকারের মোসলেহ উদ্দিনসহ আরও অনেকে। কদমতলী গ্রামের মোর্শেদ মিয়া বলেন,মহসীন সরকারের ছেলেকে কদমতলী গ্রামের ছেলে ধরে নিয়ে আসে আমরা মুরব্বিরা তাকে ছেড়ে দেই। ছাড়া পেয়ে সে রাম দা, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

মোসলেহ বলেন, আমি পানির স্কীমে বসে আছি। কোন কারণ ছাড়াই তারা আমাকে তুলে নিয়ে বেড়ক মারধর করে। মায়া মেম্বারের ছেলে নাঈমের নেতৃত্বে দা, চাইনিজ কুড়াল, শাবল, চল, রাম দা ও লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের গ্রামে এসে হামলা চালায়। আমরা এর বিচার চাই।
বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।