• জাতীয়

    মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আলোচনায়-ড.সায়েম ফয়সাল

      প্রতিনিধি ২৭ আগস্ট ২০২২ , ২:১১:২৮ প্রিন্ট সংস্করণ

    নিজস্ব প্রতিনিধি॥

    মুদ্রাস্ফীতি রোধে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ, ১৯৯৮ সালের অনুরূপ (মালয়েশিয়ান রিংগিত এবং থাই বাথ সংকটের অভিজ্ঞতার আলোকে) সুদের হার ২০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছে, যার ফলে কৃত্রিম একটি মন্দা তৈরি হয়েছে।

    এর ফলে দেখা যাচ্ছে, ১) ইউএস ডলারের বিপরীতে অন্যান্য সকল মুদ্রার অবমূল্যায়ন; যে প্রক্রিয়ায় শ্রীলঙ্কা দেউলিয়া হয়, সেদিক থেকে ইয়েলো এলার্টের অবস্থানে নিয়ে গেছে বাংলাদেশকে;

    ২) বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর রপ্তানিকারক দেশগুলির জন্য আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরী করছে;

    ৩) মন্দায় থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- ইউরোপীয় বাজার এতে রপ্তানি আদেশ কমিয়ে দেবে;

    ৪) উদীয়মান বাজারগুলো থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূলধনের প্রত্যাহার, দ্রুত মার্কিন ডলারে রূপান্তর, ফলস্বরূপ বাংলাদেশী টাকার অবমূল্যায়ন; এবং

    ৫) ডলারের দাম বাড়ায় আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারে দর পতন।

    http://এইচ/কে

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ