ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
চৌদ্দগ্রামে নামাজরত অবস্থায় ইমামকে কুপিয়ে জখম রাখাইনে সংঘাত ও সেন্টমার্টিন পরিস্থিতি | ব্রিঃ জেঃ হাসান মোঃ শামসুদ্দীন (অবঃ) নীলফামারীতে মাদ্রাসার শিক্ষককে কুপিয়ে জখম  চৌদ্দগ্রামে দাফনের ৭ দিন পর বাড়ি ফিরলেন রোকসানা নামের এক তরুণী নৌকা বিকল হয়ে মেঘনায় আটকে ছিল সাত ছাত্র, ৯৯৯ নম্বরে ফোন কলে উদ্ধার শ্রীপুরে ক্যাপিটেশন প্লান্টের চেক বিতরণ কথা বলছে’ গাছ, ভেসে আসছে নারী কণ্ঠের আর্তনাদ বাইশরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে জাকের পার্টির ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে গাঁজা-ইয়াবা উদ্ধার, কথিত সাংবাদিকসহ আটক ১৩ স্বাধীনতার আগে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে ২০১৫ সালে ঋণ দিয়েছে কৃষি ব্যাংক

রংপুরে আন্তধর্মীয় সংলাপে জাকের পার্টির প্রস্তাবনা

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
  • / ৯৬১৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুর প্রতিনিধি। 

আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনিস্টিটিউট এর সহযোগিতায়, ন্যাশনাল অরগানাইজেশান রুপসা (RUPSA Bangladesh) এর আয়োজনে: ২৯ জুলাই রোজ: শনিবার, সকাল ১০ টায়, রংপুর পযর্টন মোটেলে, সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নিয়ে আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর বিভাগীয় আন্তধর্মীয় সংলাপ
অনুষ্ঠানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃিষ্টান সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধকল্পে আলোচনাসভায় সকল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয় । এ সময় জাকের পার্টির পক্ষে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে লিখিত পরামর্শ দেয়া হয় যা পরবর্তীতে উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন।

“জাকের পার্টির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মো: বেদারুল ইসলাম,(প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি) প্রাইম মেডিকেল কলেজ শাখা, ও সহ সভাপতি, রংপুর জেলা শাখা, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট।”

জাকের পার্টির পক্ষ থেকে যে পরামর্শগুলে দেয়া হয়:

১. ধর্ম নিরপেক্ষ নয়, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।
২.ইভিএম নয় ইভোটিং বা ব্লক চেইন টেকনোলজির মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হোক তাতে নির্বাচনে সহিংসতা শতভাগ কমে যাবে।
৩. গণমাধ্যম বা সংবাদকর্মী ভাইদের নির্বাচনকালীন সময়ে আরো বেশি নিরপেক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশ করাটাও জরুরী।
৪. সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত গুজব বা নাশকতার প্রভাব ছড়ানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ( ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) তাই এই বিষয়ে সচেতন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে নির্বাচনে সহিংসতা অনেকটাই কমে যাবে।
৫. ভোটারদের করনীয় হচ্ছে ভোটের আগে বা ভোটের আগের রাতে প্রার্থী বা প্রার্থীর কর্মীদের থেকে কোনো প্রকার টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে অর্থাৎ নোটের বিনিময়ে ভোট দেয়ার প্রবনতা পরিহার করতে হবে।
৬. মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সকল ধর্মের লোকজনদের নিয়ে পাড়া মহল্লায় সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও নির্বাচনকালীন সহিংসতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রংপুরে আন্তধর্মীয় সংলাপে জাকের পার্টির প্রস্তাবনা

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

রংপুর প্রতিনিধি। 

আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনিস্টিটিউট এর সহযোগিতায়, ন্যাশনাল অরগানাইজেশান রুপসা (RUPSA Bangladesh) এর আয়োজনে: ২৯ জুলাই রোজ: শনিবার, সকাল ১০ টায়, রংপুর পযর্টন মোটেলে, সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নিয়ে আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর বিভাগীয় আন্তধর্মীয় সংলাপ
অনুষ্ঠানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃিষ্টান সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধকল্পে আলোচনাসভায় সকল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয় । এ সময় জাকের পার্টির পক্ষে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে লিখিত পরামর্শ দেয়া হয় যা পরবর্তীতে উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন।

“জাকের পার্টির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মো: বেদারুল ইসলাম,(প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি) প্রাইম মেডিকেল কলেজ শাখা, ও সহ সভাপতি, রংপুর জেলা শাখা, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট।”

জাকের পার্টির পক্ষ থেকে যে পরামর্শগুলে দেয়া হয়:

১. ধর্ম নিরপেক্ষ নয়, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।
২.ইভিএম নয় ইভোটিং বা ব্লক চেইন টেকনোলজির মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হোক তাতে নির্বাচনে সহিংসতা শতভাগ কমে যাবে।
৩. গণমাধ্যম বা সংবাদকর্মী ভাইদের নির্বাচনকালীন সময়ে আরো বেশি নিরপেক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশ করাটাও জরুরী।
৪. সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত গুজব বা নাশকতার প্রভাব ছড়ানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ( ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) তাই এই বিষয়ে সচেতন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে নির্বাচনে সহিংসতা অনেকটাই কমে যাবে।
৫. ভোটারদের করনীয় হচ্ছে ভোটের আগে বা ভোটের আগের রাতে প্রার্থী বা প্রার্থীর কর্মীদের থেকে কোনো প্রকার টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে অর্থাৎ নোটের বিনিময়ে ভোট দেয়ার প্রবনতা পরিহার করতে হবে।
৬. মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সকল ধর্মের লোকজনদের নিয়ে পাড়া মহল্লায় সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও নির্বাচনকালীন সহিংসতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।