ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ঢাকার বুকে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী এক গর্ব ও অহংকারের নাম মাগুরা লায়ন্স ক্রিকেট ক্লাব শ্রীপুরে সবুজ আন্দোলনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বিআরটিসির বাসেও চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সৌদির সঙ্গে কাল বাংলাদেশেও হতে পারে ঈদ শ্রীপুরে দেশ ও প্রবাসী সমন্বয় কল্যাণ তহবিলের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানাল ফায়ার সার্ভিস চৌদ্দগ্রামে আলকরা প্রবাসী কল্যাণ’র উদ্যাগে ইমাম খতিবদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্রিতে সিম কিনে বিপাকে অর্ধশত পরিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব হস্তান্তর
ব্রেকিং নিউজ ::

 ৭কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু: ২১ মার্চ ২০২৪,আবেদন শেষ: ২৫ এপ্রিল ২০২৪ * এ বছর জনপ্রতি ফিতরার হার সর্বনিন্ম ১১৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৯৭০ টাকা *

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাকসু ও সিনেট কার্যকরের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২
  • / ৩৬১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মনির হোসেন মাহিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক,রাবি:

অবিলম্বে রাকসু ও সিনেট কার্যকর করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রাকসু আন্দোলন মঞ্চ। বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সাথে সংহতি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।

অবস্থান কর্মসূচিতে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সংগঠক মো. জাকির হোসেন বলেন, রাকসু মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সমস্যা তুলে ধরার একটি প্লাটফর্ম। ছাত্রদের কোনো প্রতিনিধি না থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের দুঃখ কষ্ট গুলো শেয়ার করার জন্য জায়গা পাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকদিন ধরে রাকসুর কোনো কার্যক্রম নেই। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসু চালু করে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে বলে আমি আশাবাদী।

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, রাকসু শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, যেখানে গণতান্ত্রের চর্চা হয়। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থ নিয়ে কাজ করে রাকসু। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘ তিন দশক ধরে বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা কথা বলার জায়গা পাচ্ছে না।

তারা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, হলে সিট পাচ্ছে না। হলগুলোতে সিট বাণিজ্যের কারখানা গড় উঠছে। কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। সবকিছুর নির্বাচন হচ্ছে কিন্তু রাকসু নির্বাচন দিতে প্রশাসন ভয় পাচ্ছে। কারণ রাকসু কার্যকর হলে তাদের অনৈতিক কাজগুলো আর করতে পারবে না।অনতিবিলম্বে রাকসু নির্বাচন দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান এ শিক্ষার্থী।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, আমরা সকল ছাত্র সংগঠন একত্রিত হয়ে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। শিক্ষার্থীরাও আমাদের সাথে একমত পোষণ করে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

রাকসু চালু হলে প্রশাসন তাদের অন্যায়-অবিচার, নিয়োগ বাণিজ্য, ফেল করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহিতার ভয়ে গণতান্ত্রের জায়গা রাকসু চালু করছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দলীয় ছাত্র সংগঠনগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। রাকসু না থাকায় শিক্ষার্থীরা এখন তাদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বলতে ভয় পায়।

শিক্ষার্থীরা ভুলে গেছে কোনটা তাদের অধিকার, কোন বিষয়ে তাদের কথা বলা উচিত। শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা ফি দিচ্ছে, রাকসু ফি দিচ্ছে কিন্তু এর সুযোগ সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই। সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলেন এ আহবায়ক।

উল্লেখ্য, এর আগে তারা মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এর মধ্যে সপ্তাহব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচিও অন্যতম। এতে দুই হাজার শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন।

http://এইচ/কে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাকসু ও সিনেট কার্যকরের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

মনির হোসেন মাহিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক,রাবি:

অবিলম্বে রাকসু ও সিনেট কার্যকর করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রাকসু আন্দোলন মঞ্চ। বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সাথে সংহতি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।

অবস্থান কর্মসূচিতে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সংগঠক মো. জাকির হোসেন বলেন, রাকসু মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সমস্যা তুলে ধরার একটি প্লাটফর্ম। ছাত্রদের কোনো প্রতিনিধি না থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের দুঃখ কষ্ট গুলো শেয়ার করার জন্য জায়গা পাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকদিন ধরে রাকসুর কোনো কার্যক্রম নেই। অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসু চালু করে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে বলে আমি আশাবাদী।

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, রাকসু শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, যেখানে গণতান্ত্রের চর্চা হয়। শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থ নিয়ে কাজ করে রাকসু। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘ তিন দশক ধরে বন্ধ করে রেখেছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা কথা বলার জায়গা পাচ্ছে না।

তারা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, হলে সিট পাচ্ছে না। হলগুলোতে সিট বাণিজ্যের কারখানা গড় উঠছে। কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। সবকিছুর নির্বাচন হচ্ছে কিন্তু রাকসু নির্বাচন দিতে প্রশাসন ভয় পাচ্ছে। কারণ রাকসু কার্যকর হলে তাদের অনৈতিক কাজগুলো আর করতে পারবে না।অনতিবিলম্বে রাকসু নির্বাচন দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান এ শিক্ষার্থী।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, আমরা সকল ছাত্র সংগঠন একত্রিত হয়ে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। শিক্ষার্থীরাও আমাদের সাথে একমত পোষণ করে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

রাকসু চালু হলে প্রশাসন তাদের অন্যায়-অবিচার, নিয়োগ বাণিজ্য, ফেল করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহিতার ভয়ে গণতান্ত্রের জায়গা রাকসু চালু করছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দলীয় ছাত্র সংগঠনগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। রাকসু না থাকায় শিক্ষার্থীরা এখন তাদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বলতে ভয় পায়।

শিক্ষার্থীরা ভুলে গেছে কোনটা তাদের অধিকার, কোন বিষয়ে তাদের কথা বলা উচিত। শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা ফি দিচ্ছে, রাকসু ফি দিচ্ছে কিন্তু এর সুযোগ সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই। সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলেন এ আহবায়ক।

উল্লেখ্য, এর আগে তারা মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এর মধ্যে সপ্তাহব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচিও অন্যতম। এতে দুই হাজার শিক্ষার্থী গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন।

http://এইচ/কে