ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

আর্থিক অসচ্ছলতায় পড়ালেখা চালাতে পারছে না শারীরিক প্রতিবন্ধী ফরিদুল

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৯৭০১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবিজুল ইসলাম নবীন,নীলফামারী প্রতিনিধি,

নীলফামারীতে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পড়ালেখা চালাতে পারছে না শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ ফরিদুল ইসলাম। সে নীলফামারী চাঁদের হাট ডিগ্রী কলেজে ইতিহাস বিভাগে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

পারিবারিক অস্বচ্ছলতার মধ্য উচ্চ মাধ্যমিকে পাশ করলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য অনার্স পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তার জন্য দুঃসহ হয়ে উঠেছে। ফরিদুল নীলফামারী সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বিশমুড়ী চাঁদের হাট পাইলাভাঙ্গা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ‘জন্মের পরে পায়ের সমস্যা নিয়ে ফরিদুল ইসলামের জন্ম হয়। জন্মের ৪ বছর পর হঠাৎ করে কানের সমস্যা হয়। তারপর থেকে কানেও কম শুনে। কানে কম শুনা ও পায়ের সমস্যার কারনে স্বাভাবিক ভাবে কোনো কাজ করতে পারে না ফরিদুল। মোঃ ফরিদুল ইসলামের পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম একজন দিন মুজর। তার দুই ছেলে দুই মেয়ে।

সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই। আছে শুধু মাথা গোজার ঠাই। অনেক কষ্টে চলে তাদের সংসার। অনেক কষ্টে বিয়ে দিয়েছেন দুই মেয়েকে। আরেক ছেলেও পড়ছে হাফিজিয়া মাদরাসায় হেফজ বিভাগে। কষ্ট করে হলেও বাবা রফিকুল ইসলাম তার সন্তান ফরিদুলের পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি সহ নানা কারণে ফরিদুলের পড়াশোনা চালানো তার জন্য দুঃসহ হয়ে উঠেছে।’

ফরিদুল ইসলামের পিতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন গরীব মানুষ। সহায় সম্বল বলতে কিছু নাই। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চলাতে খুব কষ্ট হয়। আমার ছেলে টা পড়াশোনায় অনেক ভাল স্যার বলেছে। তাই তাকে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করাচ্ছি। আমারও স্বপ্ন ছেলে টা উচ্চ শিক্ষা অর্জন করুক। কিন্তু টাকার অভাবে তা মনে হয় আর সম্ভব হবে না।’

ফরিদুল ইসলামের প্রাইভেট শিক্ষক শাইখুল ইসলাম বলেন, ‘৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীতে আমার কাছে যখন ফরিদুল প্রাইভেট পড়ত তখন থেকেই সে কানে কম শুনত। আমি যখন সকল শিক্ষার্থীদের অঙ্ক বুঝাতাম তখন ভাবতাম ফরিদুলকে কিভাবে অঙ্ক গুলো বুঝবে।

কিন্তু দেখলাম স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য শিক্ষার্থীদের চেয়ে সে অনেক ভালভাবে অঙ্ক গুলো বুঝত। তাকে একাধিক বার কোন বিষয় দেখে দিতে হয়নি। সে নিজের চেষ্টায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তার একজন শিক্ষক হিসেবে চাই ফরিদুল ইসলাম উচ্চ শিক্ষা অর্জন করুক এবং উচ্চ শিক্ষা।

http://এইচ/কে

 

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
23 January 2023

আর্থিক অসচ্ছলতায় পড়ালেখা চালাতে পারছে না শারীরিক প্রতিবন্ধী ফরিদুল

www.Bangladesherbarta.com

আর্থিক অসচ্ছলতায় পড়ালেখা চালাতে পারছে না শারীরিক প্রতিবন্ধী ফরিদুল

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

নবিজুল ইসলাম নবীন,নীলফামারী প্রতিনিধি,

নীলফামারীতে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পড়ালেখা চালাতে পারছে না শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃ ফরিদুল ইসলাম। সে নীলফামারী চাঁদের হাট ডিগ্রী কলেজে ইতিহাস বিভাগে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

পারিবারিক অস্বচ্ছলতার মধ্য উচ্চ মাধ্যমিকে পাশ করলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য অনার্স পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তার জন্য দুঃসহ হয়ে উঠেছে। ফরিদুল নীলফামারী সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বিশমুড়ী চাঁদের হাট পাইলাভাঙ্গা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ‘জন্মের পরে পায়ের সমস্যা নিয়ে ফরিদুল ইসলামের জন্ম হয়। জন্মের ৪ বছর পর হঠাৎ করে কানের সমস্যা হয়। তারপর থেকে কানেও কম শুনে। কানে কম শুনা ও পায়ের সমস্যার কারনে স্বাভাবিক ভাবে কোনো কাজ করতে পারে না ফরিদুল। মোঃ ফরিদুল ইসলামের পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম একজন দিন মুজর। তার দুই ছেলে দুই মেয়ে।

সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই। আছে শুধু মাথা গোজার ঠাই। অনেক কষ্টে চলে তাদের সংসার। অনেক কষ্টে বিয়ে দিয়েছেন দুই মেয়েকে। আরেক ছেলেও পড়ছে হাফিজিয়া মাদরাসায় হেফজ বিভাগে। কষ্ট করে হলেও বাবা রফিকুল ইসলাম তার সন্তান ফরিদুলের পড়াশোনা করাচ্ছেন। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি সহ নানা কারণে ফরিদুলের পড়াশোনা চালানো তার জন্য দুঃসহ হয়ে উঠেছে।’

ফরিদুল ইসলামের পিতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন গরীব মানুষ। সহায় সম্বল বলতে কিছু নাই। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চলাতে খুব কষ্ট হয়। আমার ছেলে টা পড়াশোনায় অনেক ভাল স্যার বলেছে। তাই তাকে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করাচ্ছি। আমারও স্বপ্ন ছেলে টা উচ্চ শিক্ষা অর্জন করুক। কিন্তু টাকার অভাবে তা মনে হয় আর সম্ভব হবে না।’

ফরিদুল ইসলামের প্রাইভেট শিক্ষক শাইখুল ইসলাম বলেন, ‘৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীতে আমার কাছে যখন ফরিদুল প্রাইভেট পড়ত তখন থেকেই সে কানে কম শুনত। আমি যখন সকল শিক্ষার্থীদের অঙ্ক বুঝাতাম তখন ভাবতাম ফরিদুলকে কিভাবে অঙ্ক গুলো বুঝবে।

কিন্তু দেখলাম স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য শিক্ষার্থীদের চেয়ে সে অনেক ভালভাবে অঙ্ক গুলো বুঝত। তাকে একাধিক বার কোন বিষয় দেখে দিতে হয়নি। সে নিজের চেষ্টায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তার একজন শিক্ষক হিসেবে চাই ফরিদুল ইসলাম উচ্চ শিক্ষা অর্জন করুক এবং উচ্চ শিক্ষা।

http://এইচ/কে

 

Share this news as a Photo Card