ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবিবাহিত তরুণীর নামে মাতৃত্বকালীন ভাতা নেন চেয়ারম্যান  শ্রীপুরে পীর-আওলিয়ার মাজার জিয়ারতের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাজন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পুরস্কার পেলেন কুবির চার শিক্ষার্থী জাতীয় পদক প্রাপ্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক কাজী ফয়জুর রহমানের দাফন সম্পন্ন শ্রীপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ঢাকার বুকে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্বকারী এক গর্ব ও অহংকারের নাম মাগুরা লায়ন্স ক্রিকেট ক্লাব শ্রীপুরে সবুজ আন্দোলনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বিআরটিসির বাসেও চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সৌদির সঙ্গে কাল বাংলাদেশেও হতে পারে ঈদ শ্রীপুরে দেশ ও প্রবাসী সমন্বয় কল্যাণ তহবিলের ঈদ সামগ্রী বিতরণ
ব্রেকিং নিউজ ::

 ৭কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু: ২১ মার্চ ২০২৪,আবেদন শেষ: ২৫ এপ্রিল ২০২৪ * এ বছর জনপ্রতি ফিতরার হার সর্বনিন্ম ১১৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৯৭০ টাকা *

লালমনিরহাট সদর ৩ আসন আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এড. মতিয়ার রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩
  • / ৩৬০৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চয়ন কুমার রায়,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।

লালমনিরহাট জেলায় সুশীল সমাজ এর দাবি ও দলীয় নেতা-কর্মীদের ও মাটি ও মানুষের নেতা এ্যাড: মতিয়ার রহমান জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন এর মনোনয়ন প্রত্যাশী।

লালমনিরহাট জেলায় উন্নয়ন মূলক কাজ এর জন্য দলীয় এমপির প্রয়োজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনার কাছে আকুল প্রত্যাশা করে জনগণ ও রাজনৈতিক নেতা- কর্মীরা। লালমনিরহাট সদরে দলীয় এমপি দেখতে চায়। এ্যাড : মতিয়ার রহমান এর বিকল্প নেই মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ্যাড: মতিয়ার রহমান এর

রাজনৈতিক বিবরণ তুলে ধরা হলো লালমনিরহাট জেলার ত্যাগি নেতা। দির্ঘ দিন থেকে রাজনৈতিক করে আসতেছেন ১৯৭০ এর নির্বাচন কালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণিত রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ করেন এ্যাড: মতিয়ার রহমান ১৯৭৭ সালে লালমনিরহাট জেলার সরকারি কলেজ এর অধ্যায়নরত অবস্থায় ছাএলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন হন।

পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক চেতনা ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৯৭৯ সালে লালমনিরহাট সরকারি কলেজ এর ছাএলীগ এর সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করেন। ছাএলীগ এর রাজনৈতিক চেতনা ও শ্রদ্ধাশীল ত্যাগ শিকার করে ও তার মেধায় লালমনিরহাট জেলা ছাএলীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হন।

তার পরে ১৯৯২ সালের পরে মতিয়ার রহমান আইনজীবি হিসেবে আত্মাপ্রকাশ করেন। একই সালে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচন হয়ে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক করে আসেন। আবার লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের ১৯০৬ সালে তৃণমূল কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন এ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন হন।

২০১২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মনোনিত হন। ২০১৯ সালে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তৃতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে রাজনৈতিক চেতনা ও দ্বিতীয় প্রাপ্ত বহাল রয়েছে। রাজনৈতিক কালে অনেক ধরনের নির্যাতনের শিকার করতে হয়েছে এই রাজনৈতিক নেতার।

বিএনপি ও জামাত এর করা বিভিন্ন সময়ে তার নামে রাজনৈতিক ভাবে দ্বায়ের করা মামলা রয়েছে ৪৫ টির ও বেশি। সবগুলো তেই মহামান্য আদালত তাকে মামলা খালাস প্রধান করেন। ১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার উপর বিএনপি জামাত শিবিরের ক্যাডাররা হামলা চালায়। সেই সময় তাকে ৩৮ দিন এর মত হাসপাতালে চিকিৎসা দিন অবস্থা থাকতে হয়েছিল।

স্বৈরাচার শাসক ও এরশাদের সময় ফেরারী জীবন জাপন করতে বাধ্য করা হয় তার নামে বিভিন্ন ধরনের মামলা দ্বায়ের করা হয় । ২০০২ সালে আইন শৃংখল পরিস্থিতি চরম অবক্ষয় ঘটলে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে থেকে বিএনপির গুন্ডা পান্ডারা আগুন জ্বালিয়ে দেয় আইনজীবী মতিয়ার রহমান কে অপহরন করে এবং পুলিশ সোপর্দ করা হয়। একই সালে বিএনপির কেডাররা বসতবাড়িতে হামলা চালায় ও আগুন জ্বালিয়ে দেয় ও লুটপাট করে ঘর বাড়ির সমস্ত জিনিস এবং পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে এ্যাড: মতিয়ার রহমান এর একমাএ কন্যা সেঁজুতি কে এবং তার গলায় ধারালো ছুরি ধরে। ২০০২ সালে পুলিশ এর হাতে গ্রেফতার হবার পর ডিটেনশন এ বলে ৯০ দিন এর আগে জামিন নিষেধ চার্জ করে।

পরে মহামান্য হাইকোর্ট আইনজীবী মতিয়ার রহমান মহোদয় কে ৯০ দিনের পরে জামিনে আদেশ প্রধান করেন। জামিনে মুক্ত হবার পরে জেল গেট থেকে এ্যাড মতিয়ার রহমান কে আবার গ্রেফতার করে। ২০১২ সালে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট প্রসাশক এর দ্বায়িত্ব পালন করে থাকেন। তার পরে লালমনিরহাটের অনেক ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজ করে থাকেন মসজিদ, মন্দির, গির্জাঘর, রাস্তা ঘাট, শহীদ মিনার এবং পার্ক নির্মান করে থাকেন আর অনেক ধরনের কাজ কর্ম করে থাকে।

লালমনিরহাটের সুশীল সমাজের জনগন দাবি করে দলীয় আসন ৩ আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় এ্যাড : মতিয়ার রহমান কে । লালমনিরহাট সদর এর দলীয় নেতা-কর্মীদের ও দাবি একটাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লালমনিরহাট সদর ৩ আসন আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এড. মতিয়ার রহমান

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

চয়ন কুমার রায়,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।

লালমনিরহাট জেলায় সুশীল সমাজ এর দাবি ও দলীয় নেতা-কর্মীদের ও মাটি ও মানুষের নেতা এ্যাড: মতিয়ার রহমান জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন এর মনোনয়ন প্রত্যাশী।

লালমনিরহাট জেলায় উন্নয়ন মূলক কাজ এর জন্য দলীয় এমপির প্রয়োজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনার কাছে আকুল প্রত্যাশা করে জনগণ ও রাজনৈতিক নেতা- কর্মীরা। লালমনিরহাট সদরে দলীয় এমপি দেখতে চায়। এ্যাড : মতিয়ার রহমান এর বিকল্প নেই মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ্যাড: মতিয়ার রহমান এর

রাজনৈতিক বিবরণ তুলে ধরা হলো লালমনিরহাট জেলার ত্যাগি নেতা। দির্ঘ দিন থেকে রাজনৈতিক করে আসতেছেন ১৯৭০ এর নির্বাচন কালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণিত রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ করেন এ্যাড: মতিয়ার রহমান ১৯৭৭ সালে লালমনিরহাট জেলার সরকারি কলেজ এর অধ্যায়নরত অবস্থায় ছাএলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন হন।

পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক চেতনা ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৯৭৯ সালে লালমনিরহাট সরকারি কলেজ এর ছাএলীগ এর সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করেন। ছাএলীগ এর রাজনৈতিক চেতনা ও শ্রদ্ধাশীল ত্যাগ শিকার করে ও তার মেধায় লালমনিরহাট জেলা ছাএলীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হন।

তার পরে ১৯৯২ সালের পরে মতিয়ার রহমান আইনজীবি হিসেবে আত্মাপ্রকাশ করেন। একই সালে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচন হয়ে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক করে আসেন। আবার লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের ১৯০৬ সালে তৃণমূল কর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন এ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন হন।

২০১২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মনোনিত হন। ২০১৯ সালে লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তৃতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে রাজনৈতিক চেতনা ও দ্বিতীয় প্রাপ্ত বহাল রয়েছে। রাজনৈতিক কালে অনেক ধরনের নির্যাতনের শিকার করতে হয়েছে এই রাজনৈতিক নেতার।

বিএনপি ও জামাত এর করা বিভিন্ন সময়ে তার নামে রাজনৈতিক ভাবে দ্বায়ের করা মামলা রয়েছে ৪৫ টির ও বেশি। সবগুলো তেই মহামান্য আদালত তাকে মামলা খালাস প্রধান করেন। ১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার উপর বিএনপি জামাত শিবিরের ক্যাডাররা হামলা চালায়। সেই সময় তাকে ৩৮ দিন এর মত হাসপাতালে চিকিৎসা দিন অবস্থা থাকতে হয়েছিল।

স্বৈরাচার শাসক ও এরশাদের সময় ফেরারী জীবন জাপন করতে বাধ্য করা হয় তার নামে বিভিন্ন ধরনের মামলা দ্বায়ের করা হয় । ২০০২ সালে আইন শৃংখল পরিস্থিতি চরম অবক্ষয় ঘটলে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে থেকে বিএনপির গুন্ডা পান্ডারা আগুন জ্বালিয়ে দেয় আইনজীবী মতিয়ার রহমান কে অপহরন করে এবং পুলিশ সোপর্দ করা হয়। একই সালে বিএনপির কেডাররা বসতবাড়িতে হামলা চালায় ও আগুন জ্বালিয়ে দেয় ও লুটপাট করে ঘর বাড়ির সমস্ত জিনিস এবং পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে এ্যাড: মতিয়ার রহমান এর একমাএ কন্যা সেঁজুতি কে এবং তার গলায় ধারালো ছুরি ধরে। ২০০২ সালে পুলিশ এর হাতে গ্রেফতার হবার পর ডিটেনশন এ বলে ৯০ দিন এর আগে জামিন নিষেধ চার্জ করে।

পরে মহামান্য হাইকোর্ট আইনজীবী মতিয়ার রহমান মহোদয় কে ৯০ দিনের পরে জামিনে আদেশ প্রধান করেন। জামিনে মুক্ত হবার পরে জেল গেট থেকে এ্যাড মতিয়ার রহমান কে আবার গ্রেফতার করে। ২০১২ সালে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট প্রসাশক এর দ্বায়িত্ব পালন করে থাকেন। তার পরে লালমনিরহাটের অনেক ধরনের উন্নয়ন মূলক কাজ করে থাকেন মসজিদ, মন্দির, গির্জাঘর, রাস্তা ঘাট, শহীদ মিনার এবং পার্ক নির্মান করে থাকেন আর অনেক ধরনের কাজ কর্ম করে থাকে।

লালমনিরহাটের সুশীল সমাজের জনগন দাবি করে দলীয় আসন ৩ আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় এ্যাড : মতিয়ার রহমান কে । লালমনিরহাট সদর এর দলীয় নেতা-কর্মীদের ও দাবি একটাই।