• সারাদেশ

    ২৪ দেশের সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে /সেমিনার অনুষ্ঠিত

      প্রতিনিধি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ , ১০:৩২:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ

    আজিজ উদ্দিন।।

    ‘ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ থিমে ২৪ দেশের উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ‘ইন্দো প্যাসিফিক আর্মিস ম্যানেজমেন্ট’ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে কক্সবাজারে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের যৌথ আয়োজনে আজ মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় সাগর পাড়ের এক অভিজাত হোটেলে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    ৪৬তম আইপিএএমএসের তিনটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী শান্তিরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতায় ভূমি শক্তি।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (১২ সেপ্টেম্বর ২০২২) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ইউএস আর্মি প্যাসিফিক কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ৪৬ তম ইন্দো-প্যাসিফিক আৰ্মিস ম্যানেজমেন্ট সেমিনার-২০২২ এর উদ্বোধন করেন।

    রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন, ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এবং যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান জেনারেল চার্লস এ. ফ্লিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

    এ বছর চারদিনব্যাপী (১২-১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২) এই সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জসমূহ”। সিনিয়র সামরিক নেতাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের প্রতিনিধিরা এই সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন।

    প্রতিনিধি দলটি গতকাল সন্ধ্যায় কক্সবাজারে আসেন, যেখানে তাঁরা সমসাময়িক বিষয়ের উপর ব্রেকআউট সেশনসমূহে অংশ নিবেন এবং বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।

    ইন্দো প্যাসিফিক আর্মিস ম্যানেজমেন্ট হলো- অন্যতম প্রধান সেনা কর্মকাণ্ড, যা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক স্থল বাহিনীর সিনিয়র সামরিক নেতৃত্বের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে মতামত ও ধারণা বিনিময়ের জন্য একটি ফোরাম। এর উদ্দেশ্য পারস্পরিক বোঝাপড়া, সংলাপ এবং বন্ধুত্বের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। বাংলাদেশ তৃতীয়বারের মতো সেমিনারের সহ-আয়োজক।

    এর আগে, ১৯৯৩ এবং ২০১৪ সালে এই ইভেন্টের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ।

    আরও খবর

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ