ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

পদ্মার সাদা বালুর চরে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২
  • / ৯৭২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজু আহমেদ:

  • পদ্মা নদীর ধুধু সাদা বালু চর এখন সবজি ক্ষেতে ভরে গেছে। যেখানে বালু চর ছিলো এখন সেখানে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি। বছরে ৯ মাস নানা কৃষি শষ্যের ফলন ফলছে চরে।

শীতের সবজি,ধান সহ নতুন কৃষি ফসল চাষের মাধ্যমে চর অঞ্চলের কৃষকের স্বচ্ছলতা এসেছে। দূর্গম চরে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। অনেক অনাবাদি জমি এসেছে চাষের আওতায়। কৃষির উপর নির্ভর করে স্বপ্ন দেখেছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার অনেক কৃষক।

  • জানাযায়, প্রায় ৪০ বছর আগে নদী ভাঙ্গনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন, মহিদাপুর, মজলিসপুর, কন্ঠাদিয়া মৌজা নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পানি আর বালুতে হাবুডূবু খেয়ে প্রায় দশ বছর আগে চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠে চর। কৃষক কাশফুলের বাতায়নে ভেঙে চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলেন। ধীরে ধীরে চাষাবাদ শুরু হয় বালু চরে। এখন সেই বালু চর যেনো সবুজের মাঠ। চরে ফুটে উঠেছে ফসলের হাসি।

সরেজমিনে দেখাযায় চর কর্ণেশন মাঠে টমেটো চারা গাছে পরিচর্যা করছে কৃষক ছালাম মোল্লা, তিনি বলেন চার বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ করেছি। চারা গাছে ফুল দেখা দিয়েছে। গাছে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্প্রে করে ঔষধ ও গোড়ায় সার দিচ্ছি। নতুন মাটি হওয়ায় গত বছর টমেটোর ভালো ফলন হয়েছিলো। দামও ভালো পেয়েছিলাম। তাই এবারও টমেটো চাষ করেছি। তিনি আরো বলেন পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে পূনরায় জেগে উঠার পর খাজনা বন্ধ রয়েছে। খাজনা বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি অনেকের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে চাষাবাদ করছে। এসএ,আরএস খতিয়ান ভূক্ত প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মহিদাপুর চরে স্বামীর সাথে কৃষি কাজ করছে কৃষাণী ফরিদা বেগম।তিনি বলেন, জমিতে দু ফসলি সবজি চাষ করেছি। মিষ্টি কুমড়া ও ধনিয়া পাতা। এখন মাঠ থেকে ধনিয়া পাতা গাছ উত্তোলন করে বিক্রি করছি। মাঠে মিষ্টি কুমড়া গাছ থাকবে। পরে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করবো। চরে যাতায়াতের রাস্তা ভালো না থাকায় ফসল নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

হেলাল শেখ বলেন, আমাদের জমির খাজনা বন্ধ রয়েছে। এসএ, এবং আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমির মালিকা সূত্রে জমি দখল করে চাষাবাদ করছি। কিন্তুু অবৈধ ভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি জোর পূর্বক জমি দখল করে চাষাবাদ করছে।

এ বিষয় গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো আশরাফুর রহমান বলেন, চরের জমি নদী ভাঙ্গনের ফলে বিএস রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় চর জেগে উঠলে নতুন করে খাজনা নেওয়ার জন্য প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জোর পূর্বক জমি দখল করলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বার্তা

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পদ্মার সাদা বালুর চরে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

রাজু আহমেদ:

  • পদ্মা নদীর ধুধু সাদা বালু চর এখন সবজি ক্ষেতে ভরে গেছে। যেখানে বালু চর ছিলো এখন সেখানে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি। বছরে ৯ মাস নানা কৃষি শষ্যের ফলন ফলছে চরে।

শীতের সবজি,ধান সহ নতুন কৃষি ফসল চাষের মাধ্যমে চর অঞ্চলের কৃষকের স্বচ্ছলতা এসেছে। দূর্গম চরে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। অনেক অনাবাদি জমি এসেছে চাষের আওতায়। কৃষির উপর নির্ভর করে স্বপ্ন দেখেছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার অনেক কৃষক।

  • জানাযায়, প্রায় ৪০ বছর আগে নদী ভাঙ্গনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন, মহিদাপুর, মজলিসপুর, কন্ঠাদিয়া মৌজা নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পানি আর বালুতে হাবুডূবু খেয়ে প্রায় দশ বছর আগে চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠে চর। কৃষক কাশফুলের বাতায়নে ভেঙে চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলেন। ধীরে ধীরে চাষাবাদ শুরু হয় বালু চরে। এখন সেই বালু চর যেনো সবুজের মাঠ। চরে ফুটে উঠেছে ফসলের হাসি।

সরেজমিনে দেখাযায় চর কর্ণেশন মাঠে টমেটো চারা গাছে পরিচর্যা করছে কৃষক ছালাম মোল্লা, তিনি বলেন চার বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ করেছি। চারা গাছে ফুল দেখা দিয়েছে। গাছে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্প্রে করে ঔষধ ও গোড়ায় সার দিচ্ছি। নতুন মাটি হওয়ায় গত বছর টমেটোর ভালো ফলন হয়েছিলো। দামও ভালো পেয়েছিলাম। তাই এবারও টমেটো চাষ করেছি। তিনি আরো বলেন পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে পূনরায় জেগে উঠার পর খাজনা বন্ধ রয়েছে। খাজনা বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি অনেকের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে চাষাবাদ করছে। এসএ,আরএস খতিয়ান ভূক্ত প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মহিদাপুর চরে স্বামীর সাথে কৃষি কাজ করছে কৃষাণী ফরিদা বেগম।তিনি বলেন, জমিতে দু ফসলি সবজি চাষ করেছি। মিষ্টি কুমড়া ও ধনিয়া পাতা। এখন মাঠ থেকে ধনিয়া পাতা গাছ উত্তোলন করে বিক্রি করছি। মাঠে মিষ্টি কুমড়া গাছ থাকবে। পরে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করবো। চরে যাতায়াতের রাস্তা ভালো না থাকায় ফসল নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

হেলাল শেখ বলেন, আমাদের জমির খাজনা বন্ধ রয়েছে। এসএ, এবং আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমির মালিকা সূত্রে জমি দখল করে চাষাবাদ করছি। কিন্তুু অবৈধ ভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি জোর পূর্বক জমি দখল করে চাষাবাদ করছে।

এ বিষয় গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো আশরাফুর রহমান বলেন, চরের জমি নদী ভাঙ্গনের ফলে বিএস রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় চর জেগে উঠলে নতুন করে খাজনা নেওয়ার জন্য প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জোর পূর্বক জমি দখল করলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বার্তা