ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
আলোকিত সুফি সাধক সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের খোজে দিশেহারা ২ বছরের আবদুল্লাহ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও কালচারাল ডে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ময়নামতি মিশন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম গ্রেপ্তার ২ নারী “আমাদের স্বপ্ন যুব সংঘ” সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিস্কুটের ফ্যাক্টরি সন্ধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

পদ্মার সাদা বালুর চরে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২
  • / ৯৭১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজু আহমেদ:

  • পদ্মা নদীর ধুধু সাদা বালু চর এখন সবজি ক্ষেতে ভরে গেছে। যেখানে বালু চর ছিলো এখন সেখানে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি। বছরে ৯ মাস নানা কৃষি শষ্যের ফলন ফলছে চরে।

শীতের সবজি,ধান সহ নতুন কৃষি ফসল চাষের মাধ্যমে চর অঞ্চলের কৃষকের স্বচ্ছলতা এসেছে। দূর্গম চরে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। অনেক অনাবাদি জমি এসেছে চাষের আওতায়। কৃষির উপর নির্ভর করে স্বপ্ন দেখেছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার অনেক কৃষক।

  • জানাযায়, প্রায় ৪০ বছর আগে নদী ভাঙ্গনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন, মহিদাপুর, মজলিসপুর, কন্ঠাদিয়া মৌজা নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পানি আর বালুতে হাবুডূবু খেয়ে প্রায় দশ বছর আগে চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠে চর। কৃষক কাশফুলের বাতায়নে ভেঙে চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলেন। ধীরে ধীরে চাষাবাদ শুরু হয় বালু চরে। এখন সেই বালু চর যেনো সবুজের মাঠ। চরে ফুটে উঠেছে ফসলের হাসি।

সরেজমিনে দেখাযায় চর কর্ণেশন মাঠে টমেটো চারা গাছে পরিচর্যা করছে কৃষক ছালাম মোল্লা, তিনি বলেন চার বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ করেছি। চারা গাছে ফুল দেখা দিয়েছে। গাছে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্প্রে করে ঔষধ ও গোড়ায় সার দিচ্ছি। নতুন মাটি হওয়ায় গত বছর টমেটোর ভালো ফলন হয়েছিলো। দামও ভালো পেয়েছিলাম। তাই এবারও টমেটো চাষ করেছি। তিনি আরো বলেন পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে পূনরায় জেগে উঠার পর খাজনা বন্ধ রয়েছে। খাজনা বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি অনেকের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে চাষাবাদ করছে। এসএ,আরএস খতিয়ান ভূক্ত প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মহিদাপুর চরে স্বামীর সাথে কৃষি কাজ করছে কৃষাণী ফরিদা বেগম।তিনি বলেন, জমিতে দু ফসলি সবজি চাষ করেছি। মিষ্টি কুমড়া ও ধনিয়া পাতা। এখন মাঠ থেকে ধনিয়া পাতা গাছ উত্তোলন করে বিক্রি করছি। মাঠে মিষ্টি কুমড়া গাছ থাকবে। পরে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করবো। চরে যাতায়াতের রাস্তা ভালো না থাকায় ফসল নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

হেলাল শেখ বলেন, আমাদের জমির খাজনা বন্ধ রয়েছে। এসএ, এবং আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমির মালিকা সূত্রে জমি দখল করে চাষাবাদ করছি। কিন্তুু অবৈধ ভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি জোর পূর্বক জমি দখল করে চাষাবাদ করছে।

এ বিষয় গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো আশরাফুর রহমান বলেন, চরের জমি নদী ভাঙ্গনের ফলে বিএস রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় চর জেগে উঠলে নতুন করে খাজনা নেওয়ার জন্য প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জোর পূর্বক জমি দখল করলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বার্তা

 

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

08 November 2022

পদ্মার সাদা বালুর চরে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি

www.Bangladesherbarta.com

পদ্মার সাদা বালুর চরে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

রাজু আহমেদ:

  • পদ্মা নদীর ধুধু সাদা বালু চর এখন সবজি ক্ষেতে ভরে গেছে। যেখানে বালু চর ছিলো এখন সেখানে সবুজ মাঠে ফসলের হাসি। বছরে ৯ মাস নানা কৃষি শষ্যের ফলন ফলছে চরে।

শীতের সবজি,ধান সহ নতুন কৃষি ফসল চাষের মাধ্যমে চর অঞ্চলের কৃষকের স্বচ্ছলতা এসেছে। দূর্গম চরে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। অনেক অনাবাদি জমি এসেছে চাষের আওতায়। কৃষির উপর নির্ভর করে স্বপ্ন দেখেছেন নদী ভাঙ্গনের শিকার অনেক কৃষক।

  • জানাযায়, প্রায় ৪০ বছর আগে নদী ভাঙ্গনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন, মহিদাপুর, মজলিসপুর, কন্ঠাদিয়া মৌজা নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পানি আর বালুতে হাবুডূবু খেয়ে প্রায় দশ বছর আগে চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠে চর। কৃষক কাশফুলের বাতায়নে ভেঙে চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলেন। ধীরে ধীরে চাষাবাদ শুরু হয় বালু চরে। এখন সেই বালু চর যেনো সবুজের মাঠ। চরে ফুটে উঠেছে ফসলের হাসি।

সরেজমিনে দেখাযায় চর কর্ণেশন মাঠে টমেটো চারা গাছে পরিচর্যা করছে কৃষক ছালাম মোল্লা, তিনি বলেন চার বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ করেছি। চারা গাছে ফুল দেখা দিয়েছে। গাছে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্প্রে করে ঔষধ ও গোড়ায় সার দিচ্ছি। নতুন মাটি হওয়ায় গত বছর টমেটোর ভালো ফলন হয়েছিলো। দামও ভালো পেয়েছিলাম। তাই এবারও টমেটো চাষ করেছি। তিনি আরো বলেন পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে পূনরায় জেগে উঠার পর খাজনা বন্ধ রয়েছে। খাজনা বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি অনেকের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে চাষাবাদ করছে। এসএ,আরএস খতিয়ান ভূক্ত প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

মহিদাপুর চরে স্বামীর সাথে কৃষি কাজ করছে কৃষাণী ফরিদা বেগম।তিনি বলেন, জমিতে দু ফসলি সবজি চাষ করেছি। মিষ্টি কুমড়া ও ধনিয়া পাতা। এখন মাঠ থেকে ধনিয়া পাতা গাছ উত্তোলন করে বিক্রি করছি। মাঠে মিষ্টি কুমড়া গাছ থাকবে। পরে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করবো। চরে যাতায়াতের রাস্তা ভালো না থাকায় ফসল নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

হেলাল শেখ বলেন, আমাদের জমির খাজনা বন্ধ রয়েছে। এসএ, এবং আরএস রেকর্ড অনুযায়ী জমির মালিকা সূত্রে জমি দখল করে চাষাবাদ করছি। কিন্তুু অবৈধ ভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি জোর পূর্বক জমি দখল করে চাষাবাদ করছে।

এ বিষয় গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো আশরাফুর রহমান বলেন, চরের জমি নদী ভাঙ্গনের ফলে বিএস রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। পুনরায় চর জেগে উঠলে নতুন করে খাজনা নেওয়ার জন্য প্রকৃত জমির মালিকানা যাচাই বাছাই করে খাজনা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জোর পূর্বক জমি দখল করলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বার্তা

 

Share this news as a Photo Card