ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

সদরপুরে গণহত্যায় নিহতরা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি পায়নি 

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩
  • / ৯৭২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোবাহান সৈকত, সদরপুর (ফরিদপুর) 

ফরিদপুরের সদরপুরের ১২ জন শহীদ ৭১ এর গণহত্যায় নিহত হলেও স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও তাদের স্বীকৃতি মিলেনি। জানা যায়, পাক-হানাদার বাহিনী ৭১ এর ১৮ মে (৩ জৈষ্ঠ) সোমবার কৃষ্ণপুরে ৯জন ও ১৯ মে (৪ জৈষ্ঠ) সকালে উপজেলার সাড়ে সাতরশি বাজারে আক্রমণ করে ৩ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

গণহত্যায় নিহতরা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি পায়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃষ্ণপুরের ৯ শহীদের অবদান সদরপুরবাসী মনে রাখলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনে কোন কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। সরকারিভাবে কৃষ্ণপুরে বধ্যভূমি সংরক্ষণ করে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করলেও সাড়ে সাতরশি বাজারের বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতি সৌধ নির্মান করা হয়নি।

দুইটি স্থানের শহীদ পরিবারগুলো স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি ও অনুদান পায়নি। স্বাধীনতার পর থেকে শহীদ পরিবারগুলো অবহেলিত হয়ে দুঃখ কষ্টের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। জানা গেছে, পাক হানাদার বাহিনী ১৮ মে (৩ জৈষ্ঠ) সকালে কৃষ্ণপুর সাহা পাড়ায় স্বাধীনতাকামী হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীপুরুষদের ধরে ধরে অমানুষিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করে।স্থা

নীয়রা তাদের লাশগুলো উদ্ধার করে কৃষ্ণপুর শ্বশান ঘাটে মাটি চাপা দেয়। পরে ২০২০ সালে উক্ত স্থানে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। অপরদিকে ১৯ মে (৪ জৈষ্ঠ) সকালে পাক-হানাদার বাহিনী উপজেলার সাড়ে সাতরশি বাজারে আক্রমণ করে ৩ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

কৃষ্ণপুরে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের নামের তালিকা, শহীদ সুবর্ন মিত্র (৩৫), শহীদ মিহির মিত্র (১২), শহীদ কৃষ্ণা দাসী সাহা (৬৫),  শহীদ ভূপতি সাহা (৪০), শহীদ ননী সাহা (৪৬), শহীদ হরিপদ সাহা (৭০), শহীদ মলিন শীল (২২), শহীদ অলোক সাহা (১৫), অজ্ঞাত (৩৫)। অপরদিকে সাড়ে সাতরশি বাজারে যারা শহীদ হয়েছিলেন, শহীদ জগদীশ চন্দ্র  ভৌমিক, শহীদ কালিপদ সরকার ও বিষ্ণপদ বনিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সদরপুরে গণহত্যায় নিহতরা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি পায়নি 

আপডেট সময় : ০২:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

সোবাহান সৈকত, সদরপুর (ফরিদপুর) 

ফরিদপুরের সদরপুরের ১২ জন শহীদ ৭১ এর গণহত্যায় নিহত হলেও স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও তাদের স্বীকৃতি মিলেনি। জানা যায়, পাক-হানাদার বাহিনী ৭১ এর ১৮ মে (৩ জৈষ্ঠ) সোমবার কৃষ্ণপুরে ৯জন ও ১৯ মে (৪ জৈষ্ঠ) সকালে উপজেলার সাড়ে সাতরশি বাজারে আক্রমণ করে ৩ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

গণহত্যায় নিহতরা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি পায়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃষ্ণপুরের ৯ শহীদের অবদান সদরপুরবাসী মনে রাখলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনে কোন কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। সরকারিভাবে কৃষ্ণপুরে বধ্যভূমি সংরক্ষণ করে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করলেও সাড়ে সাতরশি বাজারের বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতি সৌধ নির্মান করা হয়নি।

দুইটি স্থানের শহীদ পরিবারগুলো স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও কোন স্বীকৃতি ও অনুদান পায়নি। স্বাধীনতার পর থেকে শহীদ পরিবারগুলো অবহেলিত হয়ে দুঃখ কষ্টের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। জানা গেছে, পাক হানাদার বাহিনী ১৮ মে (৩ জৈষ্ঠ) সকালে কৃষ্ণপুর সাহা পাড়ায় স্বাধীনতাকামী হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীপুরুষদের ধরে ধরে অমানুষিক নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করে।স্থা

নীয়রা তাদের লাশগুলো উদ্ধার করে কৃষ্ণপুর শ্বশান ঘাটে মাটি চাপা দেয়। পরে ২০২০ সালে উক্ত স্থানে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। অপরদিকে ১৯ মে (৪ জৈষ্ঠ) সকালে পাক-হানাদার বাহিনী উপজেলার সাড়ে সাতরশি বাজারে আক্রমণ করে ৩ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নির্মমভাবে হত্যা করে।

কৃষ্ণপুরে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের নামের তালিকা, শহীদ সুবর্ন মিত্র (৩৫), শহীদ মিহির মিত্র (১২), শহীদ কৃষ্ণা দাসী সাহা (৬৫),  শহীদ ভূপতি সাহা (৪০), শহীদ ননী সাহা (৪৬), শহীদ হরিপদ সাহা (৭০), শহীদ মলিন শীল (২২), শহীদ অলোক সাহা (১৫), অজ্ঞাত (৩৫)। অপরদিকে সাড়ে সাতরশি বাজারে যারা শহীদ হয়েছিলেন, শহীদ জগদীশ চন্দ্র  ভৌমিক, শহীদ কালিপদ সরকার ও বিষ্ণপদ বনিক।