ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৯ উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করেছে ইসি চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৯ নম্বর ও মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায় শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ চৌদ্দগ্রামে উপজেলা পর্যায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক সামছুদ্দিন আহমেদ ইরান রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে শোক বই “জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের” পক্ষে শোক প্রকাশ শ্রীপুরে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে শিক্ষকের চিঠি প্রতিবাদ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখম হেলিকপ্টার বিদ্ধস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট নিহত ‘জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের”শোক কীভাবে বিধ্বস্ত হলো ইরানি প্রেসিডেন্ট রাইসির হেলিকপ্টার? হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‌’মারা গেছেন’
সংবাদ শিরোনাম ::
১৯ উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করেছে ইসি চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৯ নম্বর ও মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায় শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ চৌদ্দগ্রামে উপজেলা পর্যায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক সামছুদ্দিন আহমেদ ইরান রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে শোক বই “জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের” পক্ষে শোক প্রকাশ শ্রীপুরে ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে শিক্ষকের চিঠি প্রতিবাদ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখম হেলিকপ্টার বিদ্ধস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট নিহত ‘জাকের পার্টি চেয়ারম্যানের”শোক কীভাবে বিধ্বস্ত হলো ইরানি প্রেসিডেন্ট রাইসির হেলিকপ্টার? হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‌’মারা গেছেন’

তাড়াশে ঐতিহ্যবাহী বারুহাস মেলা ৬ এপ্রিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৩৬৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাব্বির মির্জা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

প্রায় দেড়শত বছর আগে জমিদার আমলে গড়ে উঠা তাড়াশের ঐতিহ্যবাহী বারুহাস মেলা আগামী ৬ এপ্রিল রোজ বুধবারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা।

প্রতিবছর চৈত্র চন্দ্রিমার ১৩ তারিখে চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলা সদর হতে ১০ কিঃ জমিদার খ্যাত বারুহাস বাজার চত্বরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দিনব্যাপী মুল মেলা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। এ ছাড়া মুল মেলার পরের দিন শুক্রবার ও অনুষ্ঠিত হবে বউ মেলা। এ কারনেই স্থানীয়রা বারুহাস মেলার উৎসব ৩ দিনই মনে করেন। মেলার আয়োজক সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৭০ দশক থেকে ৯০ দশক সময়েও এ মেলার সুনাম ছিল উত্তর বঙ্গ জুড়ে। অনেক দুর দুরান্তের মানুষ মেলায় আসত। বগুড়া, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনা সহ দুর দুরান্তের জেলা থেকে শৌখিন দর্শনার্থীরা মহিষ ও গরুর গাড়ীর বহর নিয়ে মেলায় আসতেন। মেলার এক পাশে তাবু টানিয়ে করতেন মেলার কেনা কাটা।

সে সময় মুলত বারুহাস মেলা ছিল ২৫ থেক ৩০ গ্রামের মানুষের সব চেয়ে বড় উৎসব। মেলার ১ মাস আগে থেকেই চলতো নানা প্রস্তুতি। বাড়িতে লোক কুটুমকে দাওয়াত করা জামাই ঝি আনা, বাড়ি ঘরের লেপ মোচন, খৈ মুড়ি ভাজা সব মিলে মেলা বাসিরা ১ মাস আগ থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়তো।

জামাইদের উপঢোকন বা পরবি দেওয়া ছিল এ মেলার সব চেয়ে বড় ঐতিহ্য। শশুড় বাড়ির পরবি পেয়ে জামাইরা মাছ,মাংস ও রঙিন হাড়িতে মিষ্টি কিনে শশুড় বাড়িতে ফিরতেন।

এ জন্য সে সময় এ মেলা জামাই মেলা নামেও পরিচিত হয়ে উঠেছিল।

২০০০ সালের পর থেকে মেলার জৌলুস ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এখন মেলার জৌলুস একেবারেই কমে গেছে। এক সময় ২৫ থেকে ৩০ গ্রামের মানুষের প্রাণের উৎসব ছিল বারুহাস মেলা। সেই মেলার উৎসব এখন শুধু বারুহাস গ্রাম কেন্দ্রিক হয়ে গেছে।

মেলার নির্ধারিত জায়গা সংকট, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব সহ নানা কারনে এ মেলার জৌলুস দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে একসসয় দেড়শত বছরের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তাড়াশে ঐতিহ্যবাহী বারুহাস মেলা ৬ এপ্রিল

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

সাব্বির মির্জা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

প্রায় দেড়শত বছর আগে জমিদার আমলে গড়ে উঠা তাড়াশের ঐতিহ্যবাহী বারুহাস মেলা আগামী ৬ এপ্রিল রোজ বুধবারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা।

প্রতিবছর চৈত্র চন্দ্রিমার ১৩ তারিখে চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলা সদর হতে ১০ কিঃ জমিদার খ্যাত বারুহাস বাজার চত্বরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দিনব্যাপী মুল মেলা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই। এ ছাড়া মুল মেলার পরের দিন শুক্রবার ও অনুষ্ঠিত হবে বউ মেলা। এ কারনেই স্থানীয়রা বারুহাস মেলার উৎসব ৩ দিনই মনে করেন। মেলার আয়োজক সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৭০ দশক থেকে ৯০ দশক সময়েও এ মেলার সুনাম ছিল উত্তর বঙ্গ জুড়ে। অনেক দুর দুরান্তের মানুষ মেলায় আসত। বগুড়া, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনা সহ দুর দুরান্তের জেলা থেকে শৌখিন দর্শনার্থীরা মহিষ ও গরুর গাড়ীর বহর নিয়ে মেলায় আসতেন। মেলার এক পাশে তাবু টানিয়ে করতেন মেলার কেনা কাটা।

সে সময় মুলত বারুহাস মেলা ছিল ২৫ থেক ৩০ গ্রামের মানুষের সব চেয়ে বড় উৎসব। মেলার ১ মাস আগে থেকেই চলতো নানা প্রস্তুতি। বাড়িতে লোক কুটুমকে দাওয়াত করা জামাই ঝি আনা, বাড়ি ঘরের লেপ মোচন, খৈ মুড়ি ভাজা সব মিলে মেলা বাসিরা ১ মাস আগ থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়তো।

জামাইদের উপঢোকন বা পরবি দেওয়া ছিল এ মেলার সব চেয়ে বড় ঐতিহ্য। শশুড় বাড়ির পরবি পেয়ে জামাইরা মাছ,মাংস ও রঙিন হাড়িতে মিষ্টি কিনে শশুড় বাড়িতে ফিরতেন।

এ জন্য সে সময় এ মেলা জামাই মেলা নামেও পরিচিত হয়ে উঠেছিল।

২০০০ সালের পর থেকে মেলার জৌলুস ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এখন মেলার জৌলুস একেবারেই কমে গেছে। এক সময় ২৫ থেকে ৩০ গ্রামের মানুষের প্রাণের উৎসব ছিল বারুহাস মেলা। সেই মেলার উৎসব এখন শুধু বারুহাস গ্রাম কেন্দ্রিক হয়ে গেছে।

মেলার নির্ধারিত জায়গা সংকট, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব সহ নানা কারনে এ মেলার জৌলুস দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে একসসয় দেড়শত বছরের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে।