ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
আলোকিত সুফি সাধক সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের খোজে দিশেহারা ২ বছরের আবদুল্লাহ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও কালচারাল ডে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ময়নামতি মিশন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম গ্রেপ্তার ২ নারী “আমাদের স্বপ্ন যুব সংঘ” সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিস্কুটের ফ্যাক্টরি সন্ধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

কক্সবাজার জেলা আ.লীগের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস পালিত

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২
  • / ৯৬৯৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজিজ উদ্দিন।।

৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। পচাঁত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি।

বৃহস্পতিবার (৩রা অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ কার্যলয়ে জাতীয় চার নেতার জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে ফরিদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে৷ আর যারা পলাতক আসামি রয়েছেন তাদের আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি৷ যখন আসামিদের নিজেদের আওতায় পাবো তখনই ফাঁসির রায় কার্যকর হবে এই দেশের মাটিতে। কোন খুনি রেহায় পাবে না।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।

মেয়র মুজিব আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরদিন তৎকালীন ডিআইজি (প্রিজনস) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় মামলা করেন৷ কিন্তু ২১ বছর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়৷ ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জেলহত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে৷

তদন্ত শেষে সিআইডি ১৯৯৮ সালের ২০ অক্টোবর ২০ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেন৷ এরপর ৬ বছরের বেশি সময় চলে বিচারকাজ৷ জেলহত্যার ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন৷

তিনি আরো বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে হাইকোর্ট ২০০৮ সালে সৈয়দ ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও এ কেএম মহিউদ্দিনকে খালাস দেন৷ তবে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি হিসাবে এ চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়৷

এদিকে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট এক রায়ে শুধু রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন৷ আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার আবুল হাসেম মৃধা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়৷

হাইকোর্টে খালাসপ্রাপ্ত এ চারজনের ফাঁসি কার্যকর হয় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়৷

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকার ফের ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়৷ ফাঁসির তিন আসামির মধ্যে শুধু দুজনকে খালাস দেওয়ায় রায়ের ওই অংশটির বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ৷

কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল করের সঞ্চালনায়, আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক মকুল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তাপস রক্ষিত, সদস্য জিয়া উদ্দিন জিয়া, সদস্য মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নজিবুল ইসলাম, জেলা যুবলীগ সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও পৌর আওয়ামী লীগের আওতাধীন ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ডের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ও জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
03 November 2022

কক্সবাজার জেলা আ.লীগের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস পালিত

www.Bangladesherbarta.com

কক্সবাজার জেলা আ.লীগের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস পালিত

আপডেট সময় : ০৪:২২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

আজিজ উদ্দিন।।

৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। পচাঁত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি।

বৃহস্পতিবার (৩রা অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ কার্যলয়ে জাতীয় চার নেতার জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও আলোসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।

সভাপতির বক্তব্যে ফরিদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে৷ আর যারা পলাতক আসামি রয়েছেন তাদের আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি৷ যখন আসামিদের নিজেদের আওতায় পাবো তখনই ফাঁসির রায় কার্যকর হবে এই দেশের মাটিতে। কোন খুনি রেহায় পাবে না।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।

মেয়র মুজিব আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরদিন তৎকালীন ডিআইজি (প্রিজনস) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় মামলা করেন৷ কিন্তু ২১ বছর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়৷ ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জেলহত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে৷

তদন্ত শেষে সিআইডি ১৯৯৮ সালের ২০ অক্টোবর ২০ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেন৷ এরপর ৬ বছরের বেশি সময় চলে বিচারকাজ৷ জেলহত্যার ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন৷

তিনি আরো বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে হাইকোর্ট ২০০৮ সালে সৈয়দ ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও এ কেএম মহিউদ্দিনকে খালাস দেন৷ তবে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি হিসাবে এ চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়৷

এদিকে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট এক রায়ে শুধু রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন৷ আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার আবুল হাসেম মৃধা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়৷

হাইকোর্টে খালাসপ্রাপ্ত এ চারজনের ফাঁসি কার্যকর হয় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়৷

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকার ফের ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়৷ ফাঁসির তিন আসামির মধ্যে শুধু দুজনকে খালাস দেওয়ায় রায়ের ওই অংশটির বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ৷

কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল করের সঞ্চালনায়, আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক মকুল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তাপস রক্ষিত, সদস্য জিয়া উদ্দিন জিয়া, সদস্য মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নজিবুল ইসলাম, জেলা যুবলীগ সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও পৌর আওয়ামী লীগের আওতাধীন ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ার্ডের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, জেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ও জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card