ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পাসে যৌনসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন/ ইসলামী আন্দোলন

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৯৬৯৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মীযান মুহাম্মদ হাসান॥

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষা অর্জনের জায়গা। জ্ঞান বিজ্ঞান আহরণ করতেই শিক্ষার্থীদের আগমন ঘটে এক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এমনকি সারাদেশ থেকে অসহায় দরিদ্র পরিবারের মেয়েরাও আসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার জন্য। কিন্তু তাদের ইজ্জত সম্মান ও চরিত্র ভূলুণ্ঠিত হলে, তারা কী করে সমাজে মুখ দেখাবে? কীভাবে তাদের পরিবার নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে?

কিন্তু সেই শিক্ষাঙ্গন ও ক্যাম্পাসই যদি অনিরাপদ ও ধর্ষণের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। তবে তা কী নারীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে বাধাগ্রস্ত করছে না। ইডেন কলেজের নেতৃবৃন্দ যা ঘটিয়েছে এবং মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেশের সকল শিক্ষার্থীর মান সম্মানকে ধুলোয় মিশানো হয়েছে। ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করা হয়েছে।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত যৌন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটি। সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম এসব মন্তব্য করেন। ধর্ষণ নিপীড়ন ও এ জাতীয় ঘৃণিত সংস্কৃতি বন্ধ না হলে, খুব শীঘ্রই নারীর উচ্চ শিক্ষার পথ বন্ধ হবে। অধিকার বঞ্চিত হবে শত শত নারী শিকার্থী।

ইতোপূর্বে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দেহ ব্যবসার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পাসে সকল অপকর্মের সঙ্গবদ্ধ নেতৃত্ব দেওয়ার পর, এবার তারা নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সন্ত্রাসী হিসেবে মহড়া প্রদর্শন করছে।

এসব অপকর্মের অহরহ তথ্যপ্রমাণ থাকলেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা ছাত্রসমাজকে ভাবিয়ে তুলছে। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে, যারা ধর্ষকদের পাহাড়া দিচ্ছে, আশ্রয় দিচ্ছে ও প্রশ্রয় দিচ্ছে জনগণের আদালতে তাদের বিচার করা হবে এবং দেশের সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ঐক্যবদ্ধভাবে ধর্ষক নামক যৌন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম হুসাইন মৃধা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক নূরুল বশর আজিজী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সুলাইমান দেওয়ান সাকিব, দফতর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, প্রচার ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুনতাছির আহমাদ, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক, মাহবুব হোসেন মানিক, ঢাবি সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসিন আরাফাত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

http://এইচ/কে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ক্যাম্পাসে যৌনসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন/ ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৫:১১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

মীযান মুহাম্মদ হাসান॥

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষা অর্জনের জায়গা। জ্ঞান বিজ্ঞান আহরণ করতেই শিক্ষার্থীদের আগমন ঘটে এক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এমনকি সারাদেশ থেকে অসহায় দরিদ্র পরিবারের মেয়েরাও আসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার জন্য। কিন্তু তাদের ইজ্জত সম্মান ও চরিত্র ভূলুণ্ঠিত হলে, তারা কী করে সমাজে মুখ দেখাবে? কীভাবে তাদের পরিবার নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে?

কিন্তু সেই শিক্ষাঙ্গন ও ক্যাম্পাসই যদি অনিরাপদ ও ধর্ষণের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়। তবে তা কী নারীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে বাধাগ্রস্ত করছে না। ইডেন কলেজের নেতৃবৃন্দ যা ঘটিয়েছে এবং মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেশের সকল শিক্ষার্থীর মান সম্মানকে ধুলোয় মিশানো হয়েছে। ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করা হয়েছে।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত যৌন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটি। সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম এসব মন্তব্য করেন। ধর্ষণ নিপীড়ন ও এ জাতীয় ঘৃণিত সংস্কৃতি বন্ধ না হলে, খুব শীঘ্রই নারীর উচ্চ শিক্ষার পথ বন্ধ হবে। অধিকার বঞ্চিত হবে শত শত নারী শিকার্থী।

ইতোপূর্বে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দেহ ব্যবসার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পাসে সকল অপকর্মের সঙ্গবদ্ধ নেতৃত্ব দেওয়ার পর, এবার তারা নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সন্ত্রাসী হিসেবে মহড়া প্রদর্শন করছে।

এসব অপকর্মের অহরহ তথ্যপ্রমাণ থাকলেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা ছাত্রসমাজকে ভাবিয়ে তুলছে। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে, যারা ধর্ষকদের পাহাড়া দিচ্ছে, আশ্রয় দিচ্ছে ও প্রশ্রয় দিচ্ছে জনগণের আদালতে তাদের বিচার করা হবে এবং দেশের সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ঐক্যবদ্ধভাবে ধর্ষক নামক যৌন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবরাহীম হুসাইন মৃধা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক নূরুল বশর আজিজী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সুলাইমান দেওয়ান সাকিব, দফতর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, প্রচার ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুনতাছির আহমাদ, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক, মাহবুব হোসেন মানিক, ঢাবি সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসিন আরাফাত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

http://এইচ/কে