ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

পাথরঘাটায় মৎস্য কর্মকর্তার মাসিক চাঁদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৯৭০৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা বিষখালী নদীর জেলেরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মাসিক চাদা না দেয়াই দুই জেলেকে ডেকে নিয়ে এক বছরের জেল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধা সাড়ে ৫ টার দিকে কালমেঘা ইউনিয়নের টুলু পয়েন্ট এলাকায় ওই জেলে পরিবার ও স্থানীয় জেলেরা মানববন্ধন করেছেন।

এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তাদেরকে একই এলাকা থেকে তাদেরকে ডেকে বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ বছরের কারাদণ্ড দেন তারা।

দন্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো, উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্যকুপধন এলাকার আব্দুস সুলতান হাওলাদারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩৪) ও একই এলাকার মো. জালাল মাঝির ছেলে বেল্লাল (৩২)।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিমাসে প্রত্যেক নৌকা প্রতি, দুই হাজার টাকা করে পাথরঘাটা মৎস্য অফিসার জয়ন্ত কুমার আপুকে মাসোহারা দেয়া হতো। নদীতে মাছ না পড়ায় গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে পারছেন না। এর কারনে ক্ষোভে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, আমার স্বামী গত তিন মাস ধরে নদী মাছ শিকারে যায় না। বর্তমানে ক্ষেতে কৃষি কাজ করে। কিন্তু রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে জেলে দিয়েছে। এখন আমার ছোট ছোট দুই সন্তানদের নিয়ে হতাশায় আছি। এক বছর কিভাবে সংসার চলবে?

স্থানীয় জেলে কালাম হাওলাদার বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমাকেও তারা ডেকে নিয়ে নৌকায় তুলতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি দৌড়ে পালিয়েছি।

জেলে কালাম মৃধা জানান, আমরা এলাকার জেলেরা মিলে প্রতি মাসে মৎস্য অফিসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসোহারা দিতাম। নদীতে মাছ না পড়ায়ে গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে না পারায় তারা আমাদের সাথে ই আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমাড় অপু জানান, অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় তাদের আটক করা হয়েছে, কাউকে হয়রানী করার জন্য আটক করা হয়নি। আপনাকে মাসোয়ারা দিতে দেরি হওয়ায় তাদেরকে আটক করেছেন এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
05 January 2023

পাথরঘাটায় মৎস্য কর্মকর্তার মাসিক চাঁদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

www.Bangladesherbarta.com

পাথরঘাটায় মৎস্য কর্মকর্তার মাসিক চাঁদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা বিষখালী নদীর জেলেরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মাসিক চাদা না দেয়াই দুই জেলেকে ডেকে নিয়ে এক বছরের জেল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধা সাড়ে ৫ টার দিকে কালমেঘা ইউনিয়নের টুলু পয়েন্ট এলাকায় ওই জেলে পরিবার ও স্থানীয় জেলেরা মানববন্ধন করেছেন।

এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তাদেরকে একই এলাকা থেকে তাদেরকে ডেকে বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ বছরের কারাদণ্ড দেন তারা।

দন্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো, উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্যকুপধন এলাকার আব্দুস সুলতান হাওলাদারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩৪) ও একই এলাকার মো. জালাল মাঝির ছেলে বেল্লাল (৩২)।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিমাসে প্রত্যেক নৌকা প্রতি, দুই হাজার টাকা করে পাথরঘাটা মৎস্য অফিসার জয়ন্ত কুমার আপুকে মাসোহারা দেয়া হতো। নদীতে মাছ না পড়ায় গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে পারছেন না। এর কারনে ক্ষোভে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, আমার স্বামী গত তিন মাস ধরে নদী মাছ শিকারে যায় না। বর্তমানে ক্ষেতে কৃষি কাজ করে। কিন্তু রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে জেলে দিয়েছে। এখন আমার ছোট ছোট দুই সন্তানদের নিয়ে হতাশায় আছি। এক বছর কিভাবে সংসার চলবে?

স্থানীয় জেলে কালাম হাওলাদার বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমাকেও তারা ডেকে নিয়ে নৌকায় তুলতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি দৌড়ে পালিয়েছি।

জেলে কালাম মৃধা জানান, আমরা এলাকার জেলেরা মিলে প্রতি মাসে মৎস্য অফিসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসোহারা দিতাম। নদীতে মাছ না পড়ায়ে গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে না পারায় তারা আমাদের সাথে ই আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমাড় অপু জানান, অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় তাদের আটক করা হয়েছে, কাউকে হয়রানী করার জন্য আটক করা হয়নি। আপনাকে মাসোয়ারা দিতে দেরি হওয়ায় তাদেরকে আটক করেছেন এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

Share this news as a Photo Card