ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

১৫টি গ্রামের মানুষ ব্যপক দূর্ভোগে ৪বছরেও ভাঙা সেতু হয়নি মেরামত

আনিসুল হক সুমন, দুর্গাপুর প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
  • / ৯৮৩১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় সেতু নির্মাণ করলেও তা কাজে আসছে না। নির্মাণের বছরখানেকের মধ্যে বন্যায় ভেঙে যায় সেতু।

চার বছর পরও ভাঙা সেতু মেরামত হয়নি। এতে ব্যপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নারী,পুরুষ,শিশু,বৃদ্ধ,শিক্ষার্থীসহ ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষ। দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামীণ কাঁচা সড়কের মাঝে থাকা একটি খালের উপর ভেঙ্গে পড়ে আছে সেতুটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে,অনিয়মের মধ্য দিয়ে সেতু তৈরির ফলেই নির্মাণের বছরখানেকের মধ্যেই বন্যায় ভেঙে গেছে সেতুটি। এরপর বছরের পর বছর গেলেও সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা করেনি কেউ।

সূত্র জানায়,কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ৬৫ লাখ ৮৯ হাজার ১০৬ টাকা ব্যয়ে গোদারিয়া হইতে জয়নগর বাজার সড়কের গাঁওয়া খালের ওপর কালভার্ট/সেতুটি নির্মিত করা হয়েছিল।

গতকাল বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়,সেতুটির পাশের মাটি সরে মাঝ বরাবর ডেবে পড়ে রয়েছে। সেতুর পাশ দিয়ে হেঁটে আশপাশের বাড়ির উঠানের ভিতর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে লোকজনকে।

কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানান,হাট বাজারে বা উপজেলা শহরে যেতে হলে প্রায় আট কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হয়। এতে তাদের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। এখন তাঁরা এ পথ দিয়ে কষ্টে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারলেও বর্ষায় কাঁচা রাস্তায় এবং পানি এলেই নৌকা ছাড়া এ অঞ্চলের মানুষ একদমই চলাচল করতে পারেনা। ফলে শুষ্ক মৌসুমে চলাচল করতে অসুবিধা কম হলেও বর্ষার মৌসুমে ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে বন্যার পানির জন্য সেতুটির নিচ থেকে মাটি সড়ে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সেতুটি ডেবে গিয়ে সড়কের সংযোগ অংশটি বিছিন্ন হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পূনরায় সেতুটি টিক না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পূর্বকান্দা.সাংসা,মাদুরপাড়,জয়নগর,রামপুর,পূর্ববিলশপুর,শালুয়াকান্দা,গাওয়ার পাড়,গোদারিয়াসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে।

ওইসব গ্রামের বাসিন্দারা বেশির ভাগ কৃষক। তাই তাদের কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার,কীটনাশক,বীজ,ডিজেল,কোরোসিন সেচযন্ত্র ও নিত্য ব্যবহার্য নানা জিনিসপত্র এ পথেই আনা-নেওয়া করতে হয়।

অন্যদিকে কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের জন্য এ পথেই হাট-বাজারে নেওয়া হয়। তাছাড়া এই পথে রয়েছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজে যেতে ব্যপক কষ্ট পোহাতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কষ্ট করে চললেও বর্ষার সময়ে এই দুর্ভোগ কয়েকগুন বেড়ে চরমে পৌঁছে যায়। তাই ভেঙে পড়া সেতুটি পূনরায় তৈরি করে কষ্ট লাঘবের জন্য স্থানীয় সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবী জানান তাঁরা।

রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, অনেক কষ্ট করে এখন চলাচল করতে হয় আমাদের। রাস্তাও ভালো না আবার সেতুটি ভাঙা থাকার কারণে বিভিন্ন প্রয়োজনে হাট-বাজার বা শহরে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তাই সেতুটি নতুন করে নির্মাণের দাবি তাঁর।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুল হাই বলেন,রাস্তার জন্য অনেক আগে থেকেই কষ্ট করে আসতেছি আমরা। আমাদের অনেক আশার এই ব্রিজটা হয়েছিল কিন্তু এক বছরও টিকে নাই ভেঙে গেছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় যে ১ মন ধান বিক্রি করে আর কত টাকা পাই আমরা? আমাদের ধান বাজারে নিয়ে যেতে ১০০ টাকা ভাড়া বেশি গুনতে  হয়। সেতুর জন্য যে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটি ভাষায় বর্ণনা করার মতো না।

রাজিব মিয়া বলেন,সব মাটি খুদে নিছিন গা। তারাও ব্রিজের কাজ দূর্বল করছে। এর লাইগাই ব্রিজডা ভাঙছে। মানুষজন কষ্ট কইরা চলাফেরা করে বাচ্চারা কষ্ট করে স্কুল-কলেজে যাওয়া লাগে আরও ধান বন লইয়াও কষ্ট করা লাগে রাস্তাঘাট কিছুই ভালা না।

রেনু মিয়া বলেন,ব্রিজ পেয়ে এলাকাবাসী খুশি হয়েছিলো কিন্তু সেই খুশি আর বেশিদিন থাকেনি। বর্তমানে মানুষের বাড়ির ভিতর দিয়ে চলাফেরা করে সবাই। মেয়েরা থাকে বাড়িতে তাই বাড়ির ভেতর দিয়ে যাতায়াত নিষেধ করলেও আমাদের অপমানিত হতে হয়।

ওয়ার্ড আওয়ামি লীগের সভাপতি লাল চাঁন তালুকদার বলেন,প্রতিদিন প্রায় আট কিলোমিটার পথ ঘুরে স্কুল কলেজে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ও জরুরি হাসপাতালগামী রোগীদেরকেউ। সেতুটি দ্রুত করা হলে এলাকাবাসীর অনেক উপকার হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সেকুল তালুকদার বলেন,সেতুটির জন্য মানুষের অনেক বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আমি কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জহুরুল ইসলাম বলেন,আমি নতুন এসেছি। সেতুটির বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নেব। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. রকিবুল হাসান বলেন,সেতুটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
07 May 2024

১৫টি গ্রামের মানুষ ব্যপক দূর্ভোগে ৪বছরেও ভাঙা সেতু হয়নি মেরামত

www.Bangladesherbarta.com

১৫টি গ্রামের মানুষ ব্যপক দূর্ভোগে ৪বছরেও ভাঙা সেতু হয়নি মেরামত

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় সেতু নির্মাণ করলেও তা কাজে আসছে না। নির্মাণের বছরখানেকের মধ্যে বন্যায় ভেঙে যায় সেতু।

চার বছর পরও ভাঙা সেতু মেরামত হয়নি। এতে ব্যপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নারী,পুরুষ,শিশু,বৃদ্ধ,শিক্ষার্থীসহ ১৫টি গ্রামের হাজারো মানুষ। দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামীণ কাঁচা সড়কের মাঝে থাকা একটি খালের উপর ভেঙ্গে পড়ে আছে সেতুটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে,অনিয়মের মধ্য দিয়ে সেতু তৈরির ফলেই নির্মাণের বছরখানেকের মধ্যেই বন্যায় ভেঙে গেছে সেতুটি। এরপর বছরের পর বছর গেলেও সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা করেনি কেউ।

সূত্র জানায়,কাকৈরগড়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ৬৫ লাখ ৮৯ হাজার ১০৬ টাকা ব্যয়ে গোদারিয়া হইতে জয়নগর বাজার সড়কের গাঁওয়া খালের ওপর কালভার্ট/সেতুটি নির্মিত করা হয়েছিল।

গতকাল বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়,সেতুটির পাশের মাটি সরে মাঝ বরাবর ডেবে পড়ে রয়েছে। সেতুর পাশ দিয়ে হেঁটে আশপাশের বাড়ির উঠানের ভিতর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে লোকজনকে।

কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানান,হাট বাজারে বা উপজেলা শহরে যেতে হলে প্রায় আট কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হয়। এতে তাদের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। এখন তাঁরা এ পথ দিয়ে কষ্টে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারলেও বর্ষায় কাঁচা রাস্তায় এবং পানি এলেই নৌকা ছাড়া এ অঞ্চলের মানুষ একদমই চলাচল করতে পারেনা। ফলে শুষ্ক মৌসুমে চলাচল করতে অসুবিধা কম হলেও বর্ষার মৌসুমে ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে বন্যার পানির জন্য সেতুটির নিচ থেকে মাটি সড়ে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সেতুটি ডেবে গিয়ে সড়কের সংযোগ অংশটি বিছিন্ন হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পূনরায় সেতুটি টিক না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পূর্বকান্দা.সাংসা,মাদুরপাড়,জয়নগর,রামপুর,পূর্ববিলশপুর,শালুয়াকান্দা,গাওয়ার পাড়,গোদারিয়াসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে।

ওইসব গ্রামের বাসিন্দারা বেশির ভাগ কৃষক। তাই তাদের কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার,কীটনাশক,বীজ,ডিজেল,কোরোসিন সেচযন্ত্র ও নিত্য ব্যবহার্য নানা জিনিসপত্র এ পথেই আনা-নেওয়া করতে হয়।

অন্যদিকে কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের জন্য এ পথেই হাট-বাজারে নেওয়া হয়। তাছাড়া এই পথে রয়েছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজে যেতে ব্যপক কষ্ট পোহাতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কষ্ট করে চললেও বর্ষার সময়ে এই দুর্ভোগ কয়েকগুন বেড়ে চরমে পৌঁছে যায়। তাই ভেঙে পড়া সেতুটি পূনরায় তৈরি করে কষ্ট লাঘবের জন্য স্থানীয় সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবী জানান তাঁরা।

রামপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, অনেক কষ্ট করে এখন চলাচল করতে হয় আমাদের। রাস্তাও ভালো না আবার সেতুটি ভাঙা থাকার কারণে বিভিন্ন প্রয়োজনে হাট-বাজার বা শহরে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তাই সেতুটি নতুন করে নির্মাণের দাবি তাঁর।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুল হাই বলেন,রাস্তার জন্য অনেক আগে থেকেই কষ্ট করে আসতেছি আমরা। আমাদের অনেক আশার এই ব্রিজটা হয়েছিল কিন্তু এক বছরও টিকে নাই ভেঙে গেছে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় যে ১ মন ধান বিক্রি করে আর কত টাকা পাই আমরা? আমাদের ধান বাজারে নিয়ে যেতে ১০০ টাকা ভাড়া বেশি গুনতে  হয়। সেতুর জন্য যে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটি ভাষায় বর্ণনা করার মতো না।

রাজিব মিয়া বলেন,সব মাটি খুদে নিছিন গা। তারাও ব্রিজের কাজ দূর্বল করছে। এর লাইগাই ব্রিজডা ভাঙছে। মানুষজন কষ্ট কইরা চলাফেরা করে বাচ্চারা কষ্ট করে স্কুল-কলেজে যাওয়া লাগে আরও ধান বন লইয়াও কষ্ট করা লাগে রাস্তাঘাট কিছুই ভালা না।

রেনু মিয়া বলেন,ব্রিজ পেয়ে এলাকাবাসী খুশি হয়েছিলো কিন্তু সেই খুশি আর বেশিদিন থাকেনি। বর্তমানে মানুষের বাড়ির ভিতর দিয়ে চলাফেরা করে সবাই। মেয়েরা থাকে বাড়িতে তাই বাড়ির ভেতর দিয়ে যাতায়াত নিষেধ করলেও আমাদের অপমানিত হতে হয়।

ওয়ার্ড আওয়ামি লীগের সভাপতি লাল চাঁন তালুকদার বলেন,প্রতিদিন প্রায় আট কিলোমিটার পথ ঘুরে স্কুল কলেজে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের ও জরুরি হাসপাতালগামী রোগীদেরকেউ। সেতুটি দ্রুত করা হলে এলাকাবাসীর অনেক উপকার হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সেকুল তালুকদার বলেন,সেতুটির জন্য মানুষের অনেক বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আমি কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জহুরুল ইসলাম বলেন,আমি নতুন এসেছি। সেতুটির বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নেব। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. রকিবুল হাসান বলেন,সেতুটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card