ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

১২ বছর পর সিজার অপারেশন শুরু আনন্দে আত্মহারা গোয়ালন্দ বাসী

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২
  • / ৯৭১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

(রাজু আহমেদ) স্টাফ রিপোর্টার রাজবাড়ী :

দীর্ঘ একযুগ পর সিজারিয়ান সেকশন শুরু হলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। দীর্ঘ ১২ বছর এখানে কোন সিজার অপারেশন হয়নি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. ইব্রাহিম টিটন এর সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে ডা. সৈয়দ মোঃ আমিরুল হক ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ীর নেতৃত্বে আজ এই প্রথম এই সিজার অপারেশন করা হয়।

সোমবার (১৫ আগষ্ট) দুপুর ১:৩০ মিনিটে শারমিন আক্তার নামক একটি মেয়ে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।

আজ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এবং শেখ রাসেলের নামে স্মৃতি চরণে রাখার জন্য এই শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শাহাদাৎ হোসেন রাসেল। নামটি রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ আছেন,স্থানীয়রা বলেন, কোন প্রসূতি মায়ের অবস্থায় অবনতি হলে বা সিজারের প্রয়োজন হলে আগে আমাদের রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল বা ফরিদপুর হাসপাতালে যাওয়া ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না।

বর্তমানে আমাদের হাতের নাগালে এ ব্যবস্থা চালু করায় কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই সিজারিয়ান সেবা আমাদের হাসপাতালে পাওয়ায়। এতে আমরা অনেক আনন্দিত এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আরও উন্নত করার জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ বিষয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা পর্যায়ে প্রসূতি মায়েদের জন্য সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা খুবই সীমিত। তা ছাড়া এখান থেকে জেলা সদর হাসপাতালের দূরত্ব ও অনেক। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকার পরেও যে,আমরা চালু করতে পেরেছি সেটাই আমাদের কাছে আনন্দের ব্যাপার। এই সেবা চালমান রাখতে আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ কাজ করে যাব।

অপারেশন টিমে ছিলেন ডা. তৃপ্তি সরকার ,জুনি. কনসালটেন্ট (গাইনি এন্ড অবস), ডা. প্রদীপ কান্তি পাল, জুনি. কনসালটেন্ট (এনেস্থেসিয়া), ডা. নাজনীন নাহার নীরা, সহকারী সার্জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স হোসনে আরা।

সহযোগিতায় ছিলেন অন্যান্য মেডিকেল অফিসারগণ, সিনিয়র স্টাফ নার্সগন,ও হাসপাতালের সকল স্টাফ।

এইচ/কে

 

আরো পড়ুনঃ-

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১২ বছর পর সিজার অপারেশন শুরু আনন্দে আত্মহারা গোয়ালন্দ বাসী

আপডেট সময় : ০৬:০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

(রাজু আহমেদ) স্টাফ রিপোর্টার রাজবাড়ী :

দীর্ঘ একযুগ পর সিজারিয়ান সেকশন শুরু হলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। দীর্ঘ ১২ বছর এখানে কোন সিজার অপারেশন হয়নি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. ইব্রাহিম টিটন এর সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে ডা. সৈয়দ মোঃ আমিরুল হক ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ীর নেতৃত্বে আজ এই প্রথম এই সিজার অপারেশন করা হয়।

সোমবার (১৫ আগষ্ট) দুপুর ১:৩০ মিনিটে শারমিন আক্তার নামক একটি মেয়ে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।

আজ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এবং শেখ রাসেলের নামে স্মৃতি চরণে রাখার জন্য এই শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শাহাদাৎ হোসেন রাসেল। নামটি রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ আছেন,স্থানীয়রা বলেন, কোন প্রসূতি মায়ের অবস্থায় অবনতি হলে বা সিজারের প্রয়োজন হলে আগে আমাদের রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল বা ফরিদপুর হাসপাতালে যাওয়া ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না।

বর্তমানে আমাদের হাতের নাগালে এ ব্যবস্থা চালু করায় কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই সিজারিয়ান সেবা আমাদের হাসপাতালে পাওয়ায়। এতে আমরা অনেক আনন্দিত এছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আরও উন্নত করার জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই স্থানীয় এলাকাবাসী।

এ বিষয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা পর্যায়ে প্রসূতি মায়েদের জন্য সিজারিয়ান অপারেশনের ব্যবস্থা খুবই সীমিত। তা ছাড়া এখান থেকে জেলা সদর হাসপাতালের দূরত্ব ও অনেক। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকার পরেও যে,আমরা চালু করতে পেরেছি সেটাই আমাদের কাছে আনন্দের ব্যাপার। এই সেবা চালমান রাখতে আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ কাজ করে যাব।

অপারেশন টিমে ছিলেন ডা. তৃপ্তি সরকার ,জুনি. কনসালটেন্ট (গাইনি এন্ড অবস), ডা. প্রদীপ কান্তি পাল, জুনি. কনসালটেন্ট (এনেস্থেসিয়া), ডা. নাজনীন নাহার নীরা, সহকারী সার্জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স হোসনে আরা।

সহযোগিতায় ছিলেন অন্যান্য মেডিকেল অফিসারগণ, সিনিয়র স্টাফ নার্সগন,ও হাসপাতালের সকল স্টাফ।

এইচ/কে

 

আরো পড়ুনঃ-