ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ভেসে আসছে/ মৃত ডলফিন

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৯৬৯১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজিজ উদ্দিন॥

পৃথিবীর দ্রীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি ও বিদেশি পর্যটক আসে দেখতে। প্রতিনিয়ত ভোর থেকে শুরু করে রাত অবদি পর্যটক থাকে সমুদ্র সৈকতে।

সারি সারি সাঁজানো আছে কিটকাট। লাবনী পয়েন্ট থেকে শুরু করে কলাতলী সায়মান রিসোর্ট পর্যন্ত কিটকাট গুলো বসানো হয়েছে পর্যটকদের জন্য।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে যদি আবহাওয়া খারাপের সতর্ক সংকেত আসে, তখন সমুদ্রের পাড়ে ভেসে আছে ময়লা আবর্জনা।

যত বারই সতর্ক সংকেত প্রদান করে, তত বারই দেখে মিলে ময়লা আবর্জনার।

তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল থেকে কক্সবাজারে আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে আকাশ মেঘলা হয়ে হালকা থেমে থেমে বৃষ্টি পড়া শুরু করেছে।

পর্যটন মৌসুম শুরু হতে চলেছে, তাই কক্সবাজার পর্যটকের মোটামুটি ঢল আছে বলেই চলে।

আজ আবহাওয়ার খারাপ সংকেতের কারণে সমুদ্র সৈকতে গেলে দেখতে পাওয়া যায় ময়লা আবর্জনায় চেয়ে গেছে পুরো সমুদ্র সৈকত। পর্যটক পানিতে নামতে অনিহা প্রকাশ করছে।ময়লা আবর্জনার সারি সারি ভাবে বিচ্চিত ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেখার কেউ নাই। এমন কি বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির লোকজন নেই, পরিবেশ কর্মী নেই, পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত কর্মী গুলোও নেই।

অভিভাবকহীন আজকের সমুদ্র সৈকত। কলাতলীর দিকে গেলে দেখতে পাওয়া যায় ময়লা আবর্জনার সাথে পড়ে আছে তিন ফুট আর এক ফুটের কাছাকাছি একটি মৃত ডলফিনের বাচ্চা। গায়ে কয়েকটা দাগ দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে গভীর সমুদ্র থেকে সাগরের কিনারায় মায়ের সাথে খেলতে এসে পথ হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে হয়ত মাছ ধরার বড় বড় ট্রলার বা ছোট নৌকা বোটের জালে লেগে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে এমনটা ধারণা করেছেন কিটকাট ব্যবসায়ী আবুল কাশেম লালু। লালু জানান, মৃত্যু ডলফিনের বাচ্চাটি সকালে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে। এইটা দেখার জন্য কেউ নাই। এমন কি কেউ জানেও না।

সকাল থেকে বিকাল গড়িয়ে যাচ্ছে, দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পর্যটক আমার কিটকাটে বসতে অপরাগতা প্রকাশ করতেছে। বিদায় আমি নিজে মৃত ডলফিনের বাচ্চাটি বালিতে গর্ত কুড়ে পুতে রাখতেছি।

বিশিষ্ট জনের মতে, ইদানিং প্রায় শুনা যাচ্ছে সাগর থেকে আহত অবস্থায় ডলফিনের বাচ্চা সাগর পাড়ে ভেসে আসতেছে। পরিবেশ কর্মী বা বনবিভাগের লোকজন পেলে ট্রিটমেন্ট করে আবার ছেড়ে দিচ্ছে। না পেলে হয়ত মারা যাচ্ছে।এইভাবে অনেক প্রাকৃতিক মৎস্যপ্রাণী দিনদিন বিলুপ্তির পথে।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
05 September 2022

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ভেসে আসছে/ মৃত ডলফিন

www.Bangladesherbarta.com

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ভেসে আসছে/ মৃত ডলফিন

আপডেট সময় : ০২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আজিজ উদ্দিন॥

পৃথিবীর দ্রীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি ও বিদেশি পর্যটক আসে দেখতে। প্রতিনিয়ত ভোর থেকে শুরু করে রাত অবদি পর্যটক থাকে সমুদ্র সৈকতে।

সারি সারি সাঁজানো আছে কিটকাট। লাবনী পয়েন্ট থেকে শুরু করে কলাতলী সায়মান রিসোর্ট পর্যন্ত কিটকাট গুলো বসানো হয়েছে পর্যটকদের জন্য।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে যদি আবহাওয়া খারাপের সতর্ক সংকেত আসে, তখন সমুদ্রের পাড়ে ভেসে আছে ময়লা আবর্জনা।

যত বারই সতর্ক সংকেত প্রদান করে, তত বারই দেখে মিলে ময়লা আবর্জনার।

তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল থেকে কক্সবাজারে আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে আকাশ মেঘলা হয়ে হালকা থেমে থেমে বৃষ্টি পড়া শুরু করেছে।

পর্যটন মৌসুম শুরু হতে চলেছে, তাই কক্সবাজার পর্যটকের মোটামুটি ঢল আছে বলেই চলে।

আজ আবহাওয়ার খারাপ সংকেতের কারণে সমুদ্র সৈকতে গেলে দেখতে পাওয়া যায় ময়লা আবর্জনায় চেয়ে গেছে পুরো সমুদ্র সৈকত। পর্যটক পানিতে নামতে অনিহা প্রকাশ করছে।ময়লা আবর্জনার সারি সারি ভাবে বিচ্চিত ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেখার কেউ নাই। এমন কি বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির লোকজন নেই, পরিবেশ কর্মী নেই, পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত কর্মী গুলোও নেই।

অভিভাবকহীন আজকের সমুদ্র সৈকত। কলাতলীর দিকে গেলে দেখতে পাওয়া যায় ময়লা আবর্জনার সাথে পড়ে আছে তিন ফুট আর এক ফুটের কাছাকাছি একটি মৃত ডলফিনের বাচ্চা। গায়ে কয়েকটা দাগ দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে গভীর সমুদ্র থেকে সাগরের কিনারায় মায়ের সাথে খেলতে এসে পথ হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে হয়ত মাছ ধরার বড় বড় ট্রলার বা ছোট নৌকা বোটের জালে লেগে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে এমনটা ধারণা করেছেন কিটকাট ব্যবসায়ী আবুল কাশেম লালু। লালু জানান, মৃত্যু ডলফিনের বাচ্চাটি সকালে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে। এইটা দেখার জন্য কেউ নাই। এমন কি কেউ জানেও না।

সকাল থেকে বিকাল গড়িয়ে যাচ্ছে, দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পর্যটক আমার কিটকাটে বসতে অপরাগতা প্রকাশ করতেছে। বিদায় আমি নিজে মৃত ডলফিনের বাচ্চাটি বালিতে গর্ত কুড়ে পুতে রাখতেছি।

বিশিষ্ট জনের মতে, ইদানিং প্রায় শুনা যাচ্ছে সাগর থেকে আহত অবস্থায় ডলফিনের বাচ্চা সাগর পাড়ে ভেসে আসতেছে। পরিবেশ কর্মী বা বনবিভাগের লোকজন পেলে ট্রিটমেন্ট করে আবার ছেড়ে দিচ্ছে। না পেলে হয়ত মারা যাচ্ছে।এইভাবে অনেক প্রাকৃতিক মৎস্যপ্রাণী দিনদিন বিলুপ্তির পথে।

Share this news as a Photo Card