ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
আলোকিত সুফি সাধক সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের খোজে দিশেহারা ২ বছরের আবদুল্লাহ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও কালচারাল ডে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ময়নামতি মিশন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম গ্রেপ্তার ২ নারী “আমাদের স্বপ্ন যুব সংঘ” সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিস্কুটের ফ্যাক্টরি সন্ধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে টাকা ফেরত দেওয়ার মিনতি পরাজিত প্রার্থীর | রাজনীতি

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২
  • / ৯৬৮৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাইরুল ইসলাম:

গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে ৯৪টি ভোট পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ময়মনসিংহের ১১নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী মোছা. শিরিন সোলায়মান। তিনি নান্দাইল উপজেলার নাখিরাজ গ্রামের বাসিন্দা। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন তিনি।

নির্বাচনে খরচ করা ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকাই সুদে নেওয়া তার। এ অবস্থায় একমাত্র সম্বল আধাপাকা বসতবাড়িটি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে টাকা নেওয়া ভোটারদের কাছে গিয়ে টাকা ফেরতের মিনতিও করবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে ফোনালাপে বলেন শিরিন সোলাইমান বলেন,“নির্বাচনে জিততে ৩ উপজেলার ২৮০ জন ভোটারকে খামের ভেতর ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৪ লাখ টাকা দিয়েছি। তাদের মধ্যে টাকা নেওয়া
১৯১ জনই ভোট দেননি।

তার স্বামী একজন মেকানিক। সেই আয় থেকেই সংসার চলে। নান্দাইল উপজেলা থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় ১৮৫ ভোটের মধ্যে তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ঈশ্বরগঞ্জে মোট ভোট ১৫৯ (প্রার্থী দুইজন) ও ত্রিশালে ১৭২ (প্রার্থী একজন)। এই তিনটি উপজেলা নিয়ে ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড। নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বলে জানায়।

কাদের টাকা দিয়েছেন জানাতে চাইলে তিনি বলেন, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চারজন, চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চারজন ও আচারগাঁও ইউনিয়নের একজন মেম্বার ব্যতীত প্রত্যেককে তিনি খামে ভরে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ত্রিশালে ছয়জন ও ঈশ্বরগঞ্জে ৩২ জনকে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ওই সব ভোটাররা ওয়াদাও করেছিলেন তার মাইক প্রতীকে ভোট দেবেন। কিন্তু তিনি মোট ৯৪টি ভোট পেয়েছেন । এজন্য ভোটারদের স্বেচ্ছায় টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করবেন। টাকা ফেরত দিলে কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও জানান শিরিন সোলায়মান।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
22 October 2022

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে টাকা ফেরত দেওয়ার মিনতি পরাজিত প্রার্থীর | রাজনীতি

www.Bangladesherbarta.com

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে টাকা ফেরত দেওয়ার মিনতি পরাজিত প্রার্থীর | রাজনীতি

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

খাইরুল ইসলাম:

গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে ৯৪টি ভোট পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ময়মনসিংহের ১১নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী মোছা. শিরিন সোলায়মান। তিনি নান্দাইল উপজেলার নাখিরাজ গ্রামের বাসিন্দা। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন তিনি।

নির্বাচনে খরচ করা ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকাই সুদে নেওয়া তার। এ অবস্থায় একমাত্র সম্বল আধাপাকা বসতবাড়িটি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে টাকা নেওয়া ভোটারদের কাছে গিয়ে টাকা ফেরতের মিনতিও করবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে ফোনালাপে বলেন শিরিন সোলাইমান বলেন,“নির্বাচনে জিততে ৩ উপজেলার ২৮০ জন ভোটারকে খামের ভেতর ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৪ লাখ টাকা দিয়েছি। তাদের মধ্যে টাকা নেওয়া
১৯১ জনই ভোট দেননি।

তার স্বামী একজন মেকানিক। সেই আয় থেকেই সংসার চলে। নান্দাইল উপজেলা থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় ১৮৫ ভোটের মধ্যে তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ঈশ্বরগঞ্জে মোট ভোট ১৫৯ (প্রার্থী দুইজন) ও ত্রিশালে ১৭২ (প্রার্থী একজন)। এই তিনটি উপজেলা নিয়ে ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড। নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বলে জানায়।

কাদের টাকা দিয়েছেন জানাতে চাইলে তিনি বলেন, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চারজন, চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চারজন ও আচারগাঁও ইউনিয়নের একজন মেম্বার ব্যতীত প্রত্যেককে তিনি খামে ভরে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ত্রিশালে ছয়জন ও ঈশ্বরগঞ্জে ৩২ জনকে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ওই সব ভোটাররা ওয়াদাও করেছিলেন তার মাইক প্রতীকে ভোট দেবেন। কিন্তু তিনি মোট ৯৪টি ভোট পেয়েছেন । এজন্য ভোটারদের স্বেচ্ছায় টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করবেন। টাকা ফেরত দিলে কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও জানান শিরিন সোলায়মান।

Share this news as a Photo Card