ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

রংপুরে আন্তধর্মীয় সংলাপে জাকের পার্টির প্রস্তাবনা

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
  • / ৯৮২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুর প্রতিনিধি। 

আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনিস্টিটিউট এর সহযোগিতায়, ন্যাশনাল অরগানাইজেশান রুপসা (RUPSA Bangladesh) এর আয়োজনে: ২৯ জুলাই রোজ: শনিবার, সকাল ১০ টায়, রংপুর পযর্টন মোটেলে, সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নিয়ে আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর বিভাগীয় আন্তধর্মীয় সংলাপ
অনুষ্ঠানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃিষ্টান সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধকল্পে আলোচনাসভায় সকল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয় । এ সময় জাকের পার্টির পক্ষে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে লিখিত পরামর্শ দেয়া হয় যা পরবর্তীতে উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন।

“জাকের পার্টির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মো: বেদারুল ইসলাম,(প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি) প্রাইম মেডিকেল কলেজ শাখা, ও সহ সভাপতি, রংপুর জেলা শাখা, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট।”

জাকের পার্টির পক্ষ থেকে যে পরামর্শগুলে দেয়া হয়:

১. ধর্ম নিরপেক্ষ নয়, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।
২.ইভিএম নয় ইভোটিং বা ব্লক চেইন টেকনোলজির মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হোক তাতে নির্বাচনে সহিংসতা শতভাগ কমে যাবে।
৩. গণমাধ্যম বা সংবাদকর্মী ভাইদের নির্বাচনকালীন সময়ে আরো বেশি নিরপেক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশ করাটাও জরুরী।
৪. সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত গুজব বা নাশকতার প্রভাব ছড়ানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ( ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) তাই এই বিষয়ে সচেতন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে নির্বাচনে সহিংসতা অনেকটাই কমে যাবে।
৫. ভোটারদের করনীয় হচ্ছে ভোটের আগে বা ভোটের আগের রাতে প্রার্থী বা প্রার্থীর কর্মীদের থেকে কোনো প্রকার টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে অর্থাৎ নোটের বিনিময়ে ভোট দেয়ার প্রবনতা পরিহার করতে হবে।
৬. মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সকল ধর্মের লোকজনদের নিয়ে পাড়া মহল্লায় সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও নির্বাচনকালীন সহিংসতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রংপুরে আন্তধর্মীয় সংলাপে জাকের পার্টির প্রস্তাবনা

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

রংপুর প্রতিনিধি। 

আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনিস্টিটিউট এর সহযোগিতায়, ন্যাশনাল অরগানাইজেশান রুপসা (RUPSA Bangladesh) এর আয়োজনে: ২৯ জুলাই রোজ: শনিবার, সকাল ১০ টায়, রংপুর পযর্টন মোটেলে, সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নিয়ে আন্তধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর বিভাগীয় আন্তধর্মীয় সংলাপ
অনুষ্ঠানে মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃিষ্টান সকল ধর্মের ও মতের, সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধকল্পে আলোচনাসভায় সকল রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয় । এ সময় জাকের পার্টির পক্ষে নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে লিখিত পরামর্শ দেয়া হয় যা পরবর্তীতে উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন।

“জাকের পার্টির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মো: বেদারুল ইসলাম,(প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি) প্রাইম মেডিকেল কলেজ শাখা, ও সহ সভাপতি, রংপুর জেলা শাখা, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট।”

জাকের পার্টির পক্ষ থেকে যে পরামর্শগুলে দেয়া হয়:

১. ধর্ম নিরপেক্ষ নয়, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।
২.ইভিএম নয় ইভোটিং বা ব্লক চেইন টেকনোলজির মাধ্যমে ঘরে বসে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা হোক তাতে নির্বাচনে সহিংসতা শতভাগ কমে যাবে।
৩. গণমাধ্যম বা সংবাদকর্মী ভাইদের নির্বাচনকালীন সময়ে আরো বেশি নিরপেক্ষ থেকে সংবাদ প্রকাশ করাটাও জরুরী।
৪. সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত গুজব বা নাশকতার প্রভাব ছড়ানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ( ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) তাই এই বিষয়ে সচেতন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে নির্বাচনে সহিংসতা অনেকটাই কমে যাবে।
৫. ভোটারদের করনীয় হচ্ছে ভোটের আগে বা ভোটের আগের রাতে প্রার্থী বা প্রার্থীর কর্মীদের থেকে কোনো প্রকার টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে অর্থাৎ নোটের বিনিময়ে ভোট দেয়ার প্রবনতা পরিহার করতে হবে।
৬. মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সকল ধর্মের লোকজনদের নিয়ে পাড়া মহল্লায় সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও নির্বাচনকালীন সহিংসতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।