ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে টাকা ফেরত দেওয়ার মিনতি পরাজিত প্রার্থীর | রাজনীতি

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২
  • / ৯৭০২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাইরুল ইসলাম:

গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে ৯৪টি ভোট পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ময়মনসিংহের ১১নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী মোছা. শিরিন সোলায়মান। তিনি নান্দাইল উপজেলার নাখিরাজ গ্রামের বাসিন্দা। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন তিনি।

নির্বাচনে খরচ করা ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকাই সুদে নেওয়া তার। এ অবস্থায় একমাত্র সম্বল আধাপাকা বসতবাড়িটি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে টাকা নেওয়া ভোটারদের কাছে গিয়ে টাকা ফেরতের মিনতিও করবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে ফোনালাপে বলেন শিরিন সোলাইমান বলেন,“নির্বাচনে জিততে ৩ উপজেলার ২৮০ জন ভোটারকে খামের ভেতর ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৪ লাখ টাকা দিয়েছি। তাদের মধ্যে টাকা নেওয়া
১৯১ জনই ভোট দেননি।

তার স্বামী একজন মেকানিক। সেই আয় থেকেই সংসার চলে। নান্দাইল উপজেলা থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় ১৮৫ ভোটের মধ্যে তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ঈশ্বরগঞ্জে মোট ভোট ১৫৯ (প্রার্থী দুইজন) ও ত্রিশালে ১৭২ (প্রার্থী একজন)। এই তিনটি উপজেলা নিয়ে ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড। নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বলে জানায়।

কাদের টাকা দিয়েছেন জানাতে চাইলে তিনি বলেন, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চারজন, চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চারজন ও আচারগাঁও ইউনিয়নের একজন মেম্বার ব্যতীত প্রত্যেককে তিনি খামে ভরে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ত্রিশালে ছয়জন ও ঈশ্বরগঞ্জে ৩২ জনকে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ওই সব ভোটাররা ওয়াদাও করেছিলেন তার মাইক প্রতীকে ভোট দেবেন। কিন্তু তিনি মোট ৯৪টি ভোট পেয়েছেন । এজন্য ভোটারদের স্বেচ্ছায় টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করবেন। টাকা ফেরত দিলে কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও জানান শিরিন সোলায়মান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে টাকা ফেরত দেওয়ার মিনতি পরাজিত প্রার্থীর | রাজনীতি

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

খাইরুল ইসলাম:

গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে ৯৪টি ভোট পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ময়মনসিংহের ১১নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী মোছা. শিরিন সোলায়মান। তিনি নান্দাইল উপজেলার নাখিরাজ গ্রামের বাসিন্দা। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন তিনি।

নির্বাচনে খরচ করা ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকাই সুদে নেওয়া তার। এ অবস্থায় একমাত্র সম্বল আধাপাকা বসতবাড়িটি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেই সাথে টাকা নেওয়া ভোটারদের কাছে গিয়ে টাকা ফেরতের মিনতিও করবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধির সঙ্গে ফোনালাপে বলেন শিরিন সোলাইমান বলেন,“নির্বাচনে জিততে ৩ উপজেলার ২৮০ জন ভোটারকে খামের ভেতর ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৪ লাখ টাকা দিয়েছি। তাদের মধ্যে টাকা নেওয়া
১৯১ জনই ভোট দেননি।

তার স্বামী একজন মেকানিক। সেই আয় থেকেই সংসার চলে। নান্দাইল উপজেলা থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় ১৮৫ ভোটের মধ্যে তিনিই একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ঈশ্বরগঞ্জে মোট ভোট ১৫৯ (প্রার্থী দুইজন) ও ত্রিশালে ১৭২ (প্রার্থী একজন)। এই তিনটি উপজেলা নিয়ে ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড। নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বলে জানায়।

কাদের টাকা দিয়েছেন জানাতে চাইলে তিনি বলেন, চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চারজন, চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চারজন ও আচারগাঁও ইউনিয়নের একজন মেম্বার ব্যতীত প্রত্যেককে তিনি খামে ভরে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ত্রিশালে ছয়জন ও ঈশ্বরগঞ্জে ৩২ জনকে পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। ওই সব ভোটাররা ওয়াদাও করেছিলেন তার মাইক প্রতীকে ভোট দেবেন। কিন্তু তিনি মোট ৯৪টি ভোট পেয়েছেন । এজন্য ভোটারদের স্বেচ্ছায় টাকা ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করবেন। টাকা ফেরত দিলে কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও জানান শিরিন সোলায়মান।