ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
  • / ৯৭৫৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মনির হোসেন মাহিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি:

সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে তারা এই মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মামুন-উর-রশিদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এই সরকারকে নির্বাচন কালিন সরকার হিসেবে দেখতে চায় না। কারন ২০১৪ সাল এবং ২০১৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছে সেখানে রাতের ভোটে এই সরকার নির্বাচিত হয়েছেন।

সেখানে বিরোধী মত কে তারা দমন করেছে। তাদেরকে মিথ্যা মামলা, হত্যাসহ গুম করা হয়। এই সরকার তার বিরোধী মতের হাজার হাজার নেতাকে আজ জেলখানায় রেখেছে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একনায়কতন্ত্র কায়েম করার জন্য এই সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সরকারের এই চেষ্টা আর সফল হতে দেবো না।

এসময় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. কুদরত এ জাহান বলেন, আজ যেদিকে তাকাই সেদিকেই হাহাকার। আপনারা মানুষের কষ্টকে অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানসহ যে মৌলিক চাহিদাগুলো রয়েছে তার সবগুলো ধংস করেছে এই সরকার।

১৫ বছরে অনেক তোল্পি তোল্পা ঘটিয়েছেন, এবারে একটু ক্ষ্যান্ত দেন মানুষকে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে সুষ্ঠ নির্বাচন দিন। যারা ক্ষমতার আসল মালিক তাদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করে তার মাধ্যমে একটা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন দিন এবং দেশকে মুক্তি দিন সাধারণ জনগণকে মুক্তি দিন।

মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন দেশের সকল রাজনৈতিক দল বলছে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা। আর একটি দল বলছে আমাদের অধিনে নির্বাচন হবে। এদেশের মানুষ বিশ্বাস করেছিল এই সরকারকে ২০১৮ সালে। ২০১৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনের পর এই সরকার ওয়াদা করেছিল ১৮ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।

কিন্তু এই সরকার দেশের সকল মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে। দিনের ভোট রাতে করেছে। এই সরকারকে দেশের একটি মানুষও আর বিশ্বাস করে না। সকল মানুষ বুঝে গেছে। আর বসে থাকার সময় নেই। আসুন আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের ভোটাধিকার অর্জনের জন্য এই সরকারের পদত্যাগ করাই।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাসুদুল হাসান খান মুক্তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রেজাউল করিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পারভেজ আজহারুল হক প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক কামরুজ্জামান, সদস্য অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক সোহেল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহেদ জামান। কর্মসূচিতে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

মনির হোসেন মাহিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি:

সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে তারা এই মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মামুন-উর-রশিদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এই সরকারকে নির্বাচন কালিন সরকার হিসেবে দেখতে চায় না। কারন ২০১৪ সাল এবং ২০১৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছে সেখানে রাতের ভোটে এই সরকার নির্বাচিত হয়েছেন।

সেখানে বিরোধী মত কে তারা দমন করেছে। তাদেরকে মিথ্যা মামলা, হত্যাসহ গুম করা হয়। এই সরকার তার বিরোধী মতের হাজার হাজার নেতাকে আজ জেলখানায় রেখেছে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। একনায়কতন্ত্র কায়েম করার জন্য এই সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সরকারের এই চেষ্টা আর সফল হতে দেবো না।

এসময় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. কুদরত এ জাহান বলেন, আজ যেদিকে তাকাই সেদিকেই হাহাকার। আপনারা মানুষের কষ্টকে অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানসহ যে মৌলিক চাহিদাগুলো রয়েছে তার সবগুলো ধংস করেছে এই সরকার।

১৫ বছরে অনেক তোল্পি তোল্পা ঘটিয়েছেন, এবারে একটু ক্ষ্যান্ত দেন মানুষকে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে সুষ্ঠ নির্বাচন দিন। যারা ক্ষমতার আসল মালিক তাদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করে তার মাধ্যমে একটা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন দিন এবং দেশকে মুক্তি দিন সাধারণ জনগণকে মুক্তি দিন।

মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন দেশের সকল রাজনৈতিক দল বলছে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা। আর একটি দল বলছে আমাদের অধিনে নির্বাচন হবে। এদেশের মানুষ বিশ্বাস করেছিল এই সরকারকে ২০১৮ সালে। ২০১৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনের পর এই সরকার ওয়াদা করেছিল ১৮ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।

কিন্তু এই সরকার দেশের সকল মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে। দিনের ভোট রাতে করেছে। এই সরকারকে দেশের একটি মানুষও আর বিশ্বাস করে না। সকল মানুষ বুঝে গেছে। আর বসে থাকার সময় নেই। আসুন আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের ভোটাধিকার অর্জনের জন্য এই সরকারের পদত্যাগ করাই।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাসুদুল হাসান খান মুক্তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রেজাউল করিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পারভেজ আজহারুল হক প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক কামরুজ্জামান, সদস্য অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক সোহেল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহেদ জামান। কর্মসূচিতে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক।