ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

সরকারি ওষুধ চুরিতে জড়িত দালাল, আউটসোর্সিং কর্মী

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৯৭৪২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি। 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ঘিরে এখনও সক্রিয় ওষুধ চোর চক্র। সম্প্রতিককালে ওষুধ চুরিকালে সরকারি কর্মচারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিয়মিত অভিযান এবং কর্তৃপক্ষের তদারকির পরও থেমে নেই সরকারি ওষুধ চুরির ঘটনা।হাসপাতালের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, নিয়মিত সরকারি এসব ওষুধ চুরির নৈপথ্যে রয়েছেন কতিপয় সরকারি কর্মচারী ও আউটসোসিংয়ের কর্মী। এসব ওষুধ নিয়মিতই চুরি হচ্ছে এদের মাধ্যমে। হাসপাতালের অসাধু কতিপয় কর্মচারী, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া, দালাল এবং আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত কর্মীদের মাধ্যমে কোটি টাকার ওষুধ চুরি হচ্ছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের গরিব রোগীদের সেবা পাওয়ার এ কেন্দ্র থেকে।

চুরির কারণে ওষুধ পাওয়া থেকে যেমন রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি সেবা গ্রহণ করতে এসে এসব সিন্ডিকেটের খপ্পড়ে পড়ে দুর্ভোগেও পড়তে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের।অবশ্য, হাসপাতালের প্রশাসনের দাবি- ওষুধ চুরি ঠেকাতে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন তারা। কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তদারকির ফলে বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, ওষুধ চুরি রোধে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। বলেন- অভিযুক্ত যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে শতভাগ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ওঠে আসে- চুরি হওয়া এসব ওষুধ হাসপাতালের আশপাশে থাকা বেশ কয়েকটি দোকানে নিয়মিত বিক্রি করে থাকেন। আবার চুরি হওয়া এসব ওষুধ চলে যায় নগরীর হাজারী গলিসহ গ্রামগঞ্জের ফার্মেসিতেও। তবে এত নজরদারির পরও রোগীর ভাগ্যে ঠিকমতো জুটে না বিনামূল্যের ওষুধ।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালে আসা রোগীদের বাইরে থেকে তেমন ওষুধই কিনতে হয় না। এসব রোগীদের জন্য প্রতি বছর ২০ কোটি টাকারও বেশি ওষুধ ক্রয় করা হচ্ছে। অথচ রোগীরা বলছেন, শুধুমাত্র ২/৪টি ওষুধ ছাড়া বেশির ভাগ ওষুধই তাদের বাইরে থেকে কিনতে ‘বাধ্য’ করা হয়।

জানা যায়, ক্রয় করা সবগুলো ওষুধই হাসপাতালের কেন্দ্রীয় স্টোরে সংরক্ষিত থাকে। প্রতিদিন হাসপাতালের প্রায় ৫০টি ওয়ার্ড থেকে চাহিদাপত্র পেয়ে ওষুধগুলো সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সেই ওষুধ ওয়ার্ডে যাওয়া এবং রোগীদের কাছে পৌঁছানোর সম্পূর্ণ দায়িত্বই হচ্ছে ওয়ার্ড ইনচার্জ বা সিনিয়র নার্সের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপারেশন থিয়েটার এবং ওয়ার্ডের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ ও অন্যান্য সামগ্রী হাসপাতালের কেন্দ্রীয় স্টোর থেকে সরবরাহ করা হলেও তা পৌঁছানোর আগেই আংশিক পাচার হয়ে যায়। এরবাইরে রোগীদের প্রতিদিন তিন বেলায় ওষুধ সরবরাহ করার কথা থাকলেও গুটি কয়েক ওষুধ রোগীকে দিয়েই দায় সারেন কতিপয় চক্রের সদস্যরা। বাকি সবগুলো ওষুধই ওয়ার্ড থেকে হাসপাতালের অসাধু কর্মী, দালাল ও আউটসোর্সিং কর্মীদের মাধ্যমে পাচার করা হয়।

এরমধ্যে হাসপাতালের কতিপয় ওয়ার্ড ইনচার্জ, সর্দার, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া, কর্মচারী ও আউটসোসিংয়ের কর্মী, দালালরাই প্রধান হাতিয়ার।চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘দালাল আর ওষুধ চুরি ঠেকাতে যা করা দরকার সবই করা হচ্ছে।

ইতোপূর্বে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। তবে আগের মতো এখন আর পরিস্থিতি নেই। কিছু স্থান চিহ্নিত করে পুরানো লোকজনকে সরানো হয়েছে। এখনো যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেকেই সতর্ক হয়ে গেছে, সবার মনেই ভয় ধরেছে। স্পষ্টভাবে সবাইকে বলে দিয়েছি- অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, ‘সরকারি ওষুধ হচ্ছে গরিব রোগীদের জন্য। এসব ওষুধ হাসপাতালের বাইরে যাওয়া মোটেও কাম্য নয়। যারাই এমন কাজে লিপ্ত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি বিপুল ওষুধসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় হাসপাতালের দুই কর্মচারী। গ্রেপ্তারের পরদিন পুলিশ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওষুধ পাচার হয়ে থাকে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায়। এ বিষয়ে তৎকালীন পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহেদুল কবির তখন জানিয়েছিলেন, হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমেই এসব ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। হাসপাতালের কর্মচারী, বিশেষ করে যারা আউটসোর্সিংয়ের ভিত্তিতে কাজ করেন তারা, বহিরাগত দালাল এবং ফার্মেসির মালিক-কর্মচারী মিলে অন্তত ১২ থেকে ১৫টি মাধ্যমে ওষুধ চুরিতে সক্রিয়।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর দালাল এবং ওষুধ চুরি রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। ইতোপূর্বে সর্বোচ্চ চুরি হওয়া ওষুধসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও চলতি বছরেই অন্তত শতাধিক দালালকে আটক করা হয়। ওষুধ চুরি রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
24 November 2023

সরকারি ওষুধ চুরিতে জড়িত দালাল, আউটসোর্সিং কর্মী

www.Bangladesherbarta.com

সরকারি ওষুধ চুরিতে জড়িত দালাল, আউটসোর্সিং কর্মী

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি। 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ঘিরে এখনও সক্রিয় ওষুধ চোর চক্র। সম্প্রতিককালে ওষুধ চুরিকালে সরকারি কর্মচারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিয়মিত অভিযান এবং কর্তৃপক্ষের তদারকির পরও থেমে নেই সরকারি ওষুধ চুরির ঘটনা।হাসপাতালের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, নিয়মিত সরকারি এসব ওষুধ চুরির নৈপথ্যে রয়েছেন কতিপয় সরকারি কর্মচারী ও আউটসোসিংয়ের কর্মী। এসব ওষুধ নিয়মিতই চুরি হচ্ছে এদের মাধ্যমে। হাসপাতালের অসাধু কতিপয় কর্মচারী, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া, দালাল এবং আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত কর্মীদের মাধ্যমে কোটি টাকার ওষুধ চুরি হচ্ছে বৃহত্তর চট্টগ্রামের গরিব রোগীদের সেবা পাওয়ার এ কেন্দ্র থেকে।

চুরির কারণে ওষুধ পাওয়া থেকে যেমন রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি সেবা গ্রহণ করতে এসে এসব সিন্ডিকেটের খপ্পড়ে পড়ে দুর্ভোগেও পড়তে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের।অবশ্য, হাসপাতালের প্রশাসনের দাবি- ওষুধ চুরি ঠেকাতে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন তারা। কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তদারকির ফলে বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, ওষুধ চুরি রোধে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। বলেন- অভিযুক্ত যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে শতভাগ ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ওঠে আসে- চুরি হওয়া এসব ওষুধ হাসপাতালের আশপাশে থাকা বেশ কয়েকটি দোকানে নিয়মিত বিক্রি করে থাকেন। আবার চুরি হওয়া এসব ওষুধ চলে যায় নগরীর হাজারী গলিসহ গ্রামগঞ্জের ফার্মেসিতেও। তবে এত নজরদারির পরও রোগীর ভাগ্যে ঠিকমতো জুটে না বিনামূল্যের ওষুধ।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালে আসা রোগীদের বাইরে থেকে তেমন ওষুধই কিনতে হয় না। এসব রোগীদের জন্য প্রতি বছর ২০ কোটি টাকারও বেশি ওষুধ ক্রয় করা হচ্ছে। অথচ রোগীরা বলছেন, শুধুমাত্র ২/৪টি ওষুধ ছাড়া বেশির ভাগ ওষুধই তাদের বাইরে থেকে কিনতে ‘বাধ্য’ করা হয়।

জানা যায়, ক্রয় করা সবগুলো ওষুধই হাসপাতালের কেন্দ্রীয় স্টোরে সংরক্ষিত থাকে। প্রতিদিন হাসপাতালের প্রায় ৫০টি ওয়ার্ড থেকে চাহিদাপত্র পেয়ে ওষুধগুলো সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সেই ওষুধ ওয়ার্ডে যাওয়া এবং রোগীদের কাছে পৌঁছানোর সম্পূর্ণ দায়িত্বই হচ্ছে ওয়ার্ড ইনচার্জ বা সিনিয়র নার্সের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপারেশন থিয়েটার এবং ওয়ার্ডের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ ও অন্যান্য সামগ্রী হাসপাতালের কেন্দ্রীয় স্টোর থেকে সরবরাহ করা হলেও তা পৌঁছানোর আগেই আংশিক পাচার হয়ে যায়। এরবাইরে রোগীদের প্রতিদিন তিন বেলায় ওষুধ সরবরাহ করার কথা থাকলেও গুটি কয়েক ওষুধ রোগীকে দিয়েই দায় সারেন কতিপয় চক্রের সদস্যরা। বাকি সবগুলো ওষুধই ওয়ার্ড থেকে হাসপাতালের অসাধু কর্মী, দালাল ও আউটসোর্সিং কর্মীদের মাধ্যমে পাচার করা হয়।

এরমধ্যে হাসপাতালের কতিপয় ওয়ার্ড ইনচার্জ, সর্দার, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়া, কর্মচারী ও আউটসোসিংয়ের কর্মী, দালালরাই প্রধান হাতিয়ার।চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘দালাল আর ওষুধ চুরি ঠেকাতে যা করা দরকার সবই করা হচ্ছে।

ইতোপূর্বে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। তবে আগের মতো এখন আর পরিস্থিতি নেই। কিছু স্থান চিহ্নিত করে পুরানো লোকজনকে সরানো হয়েছে। এখনো যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনেকেই সতর্ক হয়ে গেছে, সবার মনেই ভয় ধরেছে। স্পষ্টভাবে সবাইকে বলে দিয়েছি- অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, ‘সরকারি ওষুধ হচ্ছে গরিব রোগীদের জন্য। এসব ওষুধ হাসপাতালের বাইরে যাওয়া মোটেও কাম্য নয়। যারাই এমন কাজে লিপ্ত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি বিপুল ওষুধসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় হাসপাতালের দুই কর্মচারী। গ্রেপ্তারের পরদিন পুলিশ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ওষুধ পাচার হয়ে থাকে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায়। এ বিষয়ে তৎকালীন পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহেদুল কবির তখন জানিয়েছিলেন, হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমেই এসব ওষুধ পাচার হয়ে থাকে। হাসপাতালের কর্মচারী, বিশেষ করে যারা আউটসোর্সিংয়ের ভিত্তিতে কাজ করেন তারা, বহিরাগত দালাল এবং ফার্মেসির মালিক-কর্মচারী মিলে অন্তত ১২ থেকে ১৫টি মাধ্যমে ওষুধ চুরিতে সক্রিয়।

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর দালাল এবং ওষুধ চুরি রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। ইতোপূর্বে সর্বোচ্চ চুরি হওয়া ওষুধসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও চলতি বছরেই অন্তত শতাধিক দালালকে আটক করা হয়। ওষুধ চুরি রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card