ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
আলোকিত সুফি সাধক সৈয়দ আবুল ওলা (রহ.) ব্রাহ্মণপাড়ায় মায়ের খোজে দিশেহারা ২ বছরের আবদুল্লাহ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও কালচারাল ডে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাসিন্দা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ময়নামতি মিশন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষক নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি তদন্তে আসা পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম গ্রেপ্তার ২ নারী “আমাদের স্বপ্ন যুব সংঘ” সংগঠনের ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপন আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিস্কুটের ফ্যাক্টরি সন্ধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

ইবিতে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অস্থায়ী কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

মোহাম্মদ হাছান, ইবি প্রতিনিধি৷৷  
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
  • / ৯৮৩১ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অস্থায়ী কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের অফিসের সামনে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এ সময় অর্ধশত কর্মচারী তাঁদের বেতন বৃদ্ধির দাবি তুলেন।

পরে তাদের প্রতিনিধিরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উপাচার্য আসন্ন সিন্ডিকেটের পরবর্তী সিন্ডিকেটে এ বিষয়টি উত্থাপন করার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন কর্মচারীরা।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার অফিসের সামনের করিডরে বসে কর্মচারীরা বলেন, আমাদের গতবছর বেতন বৃদ্ধির কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি। বরং বারবার বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কার্যকর করা হচ্ছে না।

এ সময় অস্থায়ী কর্মচারী বাদশা মিয়া বলেন, বর্তমানে বাজারে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকায় আমাদের সংসার চালানো অসম্ভব। সারাদেশে সরকার অস্থায়ী কর্মচারীদের দৈনিক ভাতা সর্বনিম্ন ৫০০-৫৫০ টাকার নীতিমালা করেছে। সেখানে আমাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫০ টাকা। আমাদের সাথে অন্যায় করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসে ৫১ জন থোক ভিত্তিতে কর্মরত আছেন। তাঁদের প্রতি মাসে পারিশ্রমিক সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা ও সর্বনিম্ন চার হাজার দুইশত টাকা দেওয়া হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি মাসে ব্যায় হচ্ছে তিন লক্ষ ১০০ টাকা।

থোক ভিত্তিতে নিয়োজিতদের মাসিক টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার জন্য ২০২৩ সালের এপ্রিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোষাধ্যক্ষ ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক ও উপ-হিসাব পরিচালক সামসুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্টি একটি কমিটি গঠন করে দেন। তবে এ কমিটি প্রায় এক বছর পরেও এখনো কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘অস্থায়ী কর্মচারীরাতো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না। তাঁদের দাবিগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টা প্রশাসন দেখবে। ‘

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটা আর্থিক খাত আছে সেখান থেকে অস্থায়ীদের কিছু টাকা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে তাঁদের বেতন বাড়বে কিনা এই বিষয়টা প্রশাসনের সবাইকে একসাথে বসে আলোচনা করতে হবে।’

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
19 March 2024

ইবিতে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অস্থায়ী কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

www.Bangladesherbarta.com

ইবিতে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অস্থায়ী কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বেতন বৃদ্ধির দাবিতে অস্থায়ী কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের অফিসের সামনে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এ সময় অর্ধশত কর্মচারী তাঁদের বেতন বৃদ্ধির দাবি তুলেন।

পরে তাদের প্রতিনিধিরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উপাচার্য আসন্ন সিন্ডিকেটের পরবর্তী সিন্ডিকেটে এ বিষয়টি উত্থাপন করার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন কর্মচারীরা।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার অফিসের সামনের করিডরে বসে কর্মচারীরা বলেন, আমাদের গতবছর বেতন বৃদ্ধির কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি। বরং বারবার বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কার্যকর করা হচ্ছে না।

এ সময় অস্থায়ী কর্মচারী বাদশা মিয়া বলেন, বর্তমানে বাজারে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকায় আমাদের সংসার চালানো অসম্ভব। সারাদেশে সরকার অস্থায়ী কর্মচারীদের দৈনিক ভাতা সর্বনিম্ন ৫০০-৫৫০ টাকার নীতিমালা করেছে। সেখানে আমাদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫০ টাকা। আমাদের সাথে অন্যায় করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসে ৫১ জন থোক ভিত্তিতে কর্মরত আছেন। তাঁদের প্রতি মাসে পারিশ্রমিক সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা ও সর্বনিম্ন চার হাজার দুইশত টাকা দেওয়া হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি মাসে ব্যায় হচ্ছে তিন লক্ষ ১০০ টাকা।

থোক ভিত্তিতে নিয়োজিতদের মাসিক টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার জন্য ২০২৩ সালের এপ্রিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোষাধ্যক্ষ ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক ও উপ-হিসাব পরিচালক সামসুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্টি একটি কমিটি গঠন করে দেন। তবে এ কমিটি প্রায় এক বছর পরেও এখনো কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘অস্থায়ী কর্মচারীরাতো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না। তাঁদের দাবিগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টা প্রশাসন দেখবে। ‘

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটা আর্থিক খাত আছে সেখান থেকে অস্থায়ীদের কিছু টাকা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে তাঁদের বেতন বাড়বে কিনা এই বিষয়টা প্রশাসনের সবাইকে একসাথে বসে আলোচনা করতে হবে।’

Share this news as a Photo Card