জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির কেউ চাঁদ দেখেন না, নিজেরা চাঁদ না দেখে ফোনের পাশে অপেক্ষা
- আপডেট সময় : ০৭:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
- / ৯৭১৬ বার পড়া হয়েছে
আদনান ফারাবি৷৷
নামে ‘জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি’ হলেও এই কমিটির কেউ চাঁদ দেখেন না। দেশের আকাশে যখন চাঁদ ওঠার কথা তখন কমিটির অধিকাংশ সদস্য ব্যস্ত থাকেন ব্যক্তিগত কাজে। মাসে একদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কমিটির বৈঠকে তারা নিজেদের প্রতিনিধি পাঠান। সেসব প্রতিনিধিরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনে উপস্থিত হয়ে বসে থাকেন চার দেয়ালের ভেতরে। অপেক্ষা করেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ফোন আসার।
ফোনে সংবাদ আসলেই তারা ঘোষণা দেন ‘চাঁদ ওঠার’।বর্তমানে এভাবেই চলছে বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির কার্যক্রম। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ দ্বারা পরিচালিত হয় এই কমিটি। এতে ১৭ জন সদস্য রয়েছেন।
আরবি ক্যালেন্ডারের প্রতিমাসে একবার ২৯ তারিখ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির মোট ১৭ জন সদস্য অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের বার্তা’র কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী গত এক বছরে কোনো বৈঠকেই কমিটির ১৭ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি পবিত্র ঈদুল ফিতর নির্ধারণের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সময়ও উপস্থিত ছিলেন না অনেকে। বৈঠকে অনুপস্থিত থাকা অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে।
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ১৭ সদস্যের কমিটির সভাপতি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্যসচিব, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের ওয়াকফ প্রশাসক, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক।















