ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

ছুটিতে রাবিতে হল ডাইনিং-ক্যান্টিন বন্ধ, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৯৭১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মনির হোসেন মাহিন:

দুর্গাপূজা ও পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটি চলছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে। এদিকে আবাসিক হলগুলো খোলা থাকলেও ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ থাকায় খাবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শারদীয় দুর্গাপূজা, পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ও শুক্র-শনিবার মিলিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ দিন বন্ধ থাকছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। কিন্তু আবাসিক হলগুলো খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির অজুহাতে হলগুলোর ডাইনিং বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। কিছু হলে ক্যান্টিন খোলা থাকলেও অনেক হলে আবার বন্ধ রয়েছে।

এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরের হোটেলগুলোও বন্ধ। ফলে খাবারের জন্য শিক্ষার্থীদের যেতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা বিনোদপুর, স্টেশনবাজার, তালাইমারির হোটেলগুলোতে। সেখানে নিম্নমানের খাবার বিক্রি করে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও হলগুলো খোলা রাখা হয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করছেন। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা না করে ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ রাখা উচিত হয়নি প্রশাসনের।

সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইসা হক বলেন, আমরা অনেকই আবাসিক হলে অবস্থান করছি। সামনে পরীক্ষা থাকার ফলে অনেকেই বাড়িতে যাইনি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বাড়িতে না যাওয়াটা চরম ভুল ছিল। হলের ডাইনিং বন্ধ, অনেক হলে ক্যান্টিন বন্ধ, হলগুলোর বাইরে যে হোটেলগুলো সব সময় খোলা থাকতো সেগুলো এখন বন্ধ রয়েছে। ফলে আমাদের খাবার খেতে বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে হচ্ছে। এখনো ক্যাম্পাস খুলতে অনেকদিন সময় লাগবে। আমি চাই প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব একটা ব্যবস্থা নিক।

অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। তাদের বিষয়টা মাথায় নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করে ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ করা উচিত ছিল। আমরা যারা একদম রান্না করতে পারি না তারা মহাবিপদে আছি। অনেক দূরে গিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে। তিনবেলার খাবার এক বেলাও খাচ্ছি। আশপাশে চারটি হলের মধ্যে একটি ডাইনিং খোলা থাকলেও আমরা চার হলের শিক্ষার্থীরা সেই ডাইনিংয়ে খেতে পারতাম। এভাবে ১৭ হলের ৩-৪টা হলের ডাইনিং খুলে দিলে সব শিক্ষার্থী উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, হলের বিষয়গুলো হল প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকে। তবে শিক্ষার্থী থাকা স্বত্বেও বিকল্প ব্যবস্থা না করে ডাইনিং বন্ধ করা উচিত হয়নি। সব হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত নেবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ছুটিতে রাবিতে হল ডাইনিং-ক্যান্টিন বন্ধ, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

মনির হোসেন মাহিন:

দুর্গাপূজা ও পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটি চলছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে। এদিকে আবাসিক হলগুলো খোলা থাকলেও ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ থাকায় খাবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শারদীয় দুর্গাপূজা, পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ও শুক্র-শনিবার মিলিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ দিন বন্ধ থাকছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। কিন্তু আবাসিক হলগুলো খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির অজুহাতে হলগুলোর ডাইনিং বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। কিছু হলে ক্যান্টিন খোলা থাকলেও অনেক হলে আবার বন্ধ রয়েছে।

এমনকি ক্যাম্পাসের ভেতরের হোটেলগুলোও বন্ধ। ফলে খাবারের জন্য শিক্ষার্থীদের যেতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকা বিনোদপুর, স্টেশনবাজার, তালাইমারির হোটেলগুলোতে। সেখানে নিম্নমানের খাবার বিক্রি করে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও হলগুলো খোলা রাখা হয়েছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করছেন। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা না করে ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ রাখা উচিত হয়নি প্রশাসনের।

সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইসা হক বলেন, আমরা অনেকই আবাসিক হলে অবস্থান করছি। সামনে পরীক্ষা থাকার ফলে অনেকেই বাড়িতে যাইনি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বাড়িতে না যাওয়াটা চরম ভুল ছিল। হলের ডাইনিং বন্ধ, অনেক হলে ক্যান্টিন বন্ধ, হলগুলোর বাইরে যে হোটেলগুলো সব সময় খোলা থাকতো সেগুলো এখন বন্ধ রয়েছে। ফলে আমাদের খাবার খেতে বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে হচ্ছে। এখনো ক্যাম্পাস খুলতে অনেকদিন সময় লাগবে। আমি চাই প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব একটা ব্যবস্থা নিক।

অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। তাদের বিষয়টা মাথায় নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করে ডাইনিং ও ক্যান্টিন বন্ধ করা উচিত ছিল। আমরা যারা একদম রান্না করতে পারি না তারা মহাবিপদে আছি। অনেক দূরে গিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে। তিনবেলার খাবার এক বেলাও খাচ্ছি। আশপাশে চারটি হলের মধ্যে একটি ডাইনিং খোলা থাকলেও আমরা চার হলের শিক্ষার্থীরা সেই ডাইনিংয়ে খেতে পারতাম। এভাবে ১৭ হলের ৩-৪টা হলের ডাইনিং খুলে দিলে সব শিক্ষার্থী উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, হলের বিষয়গুলো হল প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকে। তবে শিক্ষার্থী থাকা স্বত্বেও বিকল্প ব্যবস্থা না করে ডাইনিং বন্ধ করা উচিত হয়নি। সব হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত নেবো।