ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • / ৯৭০৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোবহান সৈকত,ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

বাবার নামে ক্রয়কৃত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলারআড়াইরশি গ্রামের মৃত আবুল হাশেম চৌধুরীর পুত্র ও কন্যারা।

দীর্ঘ দিন বাবার রেখে যাওয়া জমিজামা ফিরে পেতে এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে ঘুরাঘুরি করেও কোন লাভ না-হওয়ার কারনে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন পুত্র আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

তিনি তাঁর বাবা মৃত আবুল হাশেম চৌধুরীর নামের
পৈতৃক সুত্রে পাওয়া এবং হাশেম চৌধুরীর নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি ফিরে পেতে ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার মুন্সেফ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৬১/১২,
১৪৭/১২, এবং ৪৪/১৫. এবং ফরিদপুর

আদালতেও একটা মামলা করেছেন যাহার নম্বর ৩১০/১৯. মামলা এখনো চলমান আছে বলে জানান মামলার বাদী আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

তিনি এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে জানান, আমার বাবা ১৯৩৪ এবং ১৯৪৭ সালে স্থানীয় বাইশরশি বাবু দের নিকট থেকে তাঁর নিজের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন।

এবং আমার দাদার নামের সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসেবে পাওয়া সহ সর্বমোট ৬ একর ৮০ শতাংশ জমির দাবী নিয়ে আদালতের সরাপন্ন হয়েছি।

তিনি আরো জানান, আমি দীর্ঘদিন সরকারি চাকুরী করার কারণে বাড়ির বাইরে থাকার কারণে আমি আমার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির খোঁজ খবর নিতে পারিনি।

গত ২০০৪ সালে আমি পেনসনে বাড়িতে আসার পরে আমার বাবার সব সম্পত্তির কাগজ পত্র উঠিয়ে দেখতে পাই যে আমার বাবার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে। পরবর্তীতে আমি বিভিন্ন জনের নিকট ঘোরাঘুরি করে পরে আদালতের সরাপন্ন হয়েছি।

বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ফিরে পেতে মাননীয় ভূমি মন্ত্রনালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

http://এইচ/কে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফরিদপুরে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৯:১৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

সোবহান সৈকত,ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

বাবার নামে ক্রয়কৃত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলারআড়াইরশি গ্রামের মৃত আবুল হাশেম চৌধুরীর পুত্র ও কন্যারা।

দীর্ঘ দিন বাবার রেখে যাওয়া জমিজামা ফিরে পেতে এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে ঘুরাঘুরি করেও কোন লাভ না-হওয়ার কারনে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন পুত্র আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

তিনি তাঁর বাবা মৃত আবুল হাশেম চৌধুরীর নামের
পৈতৃক সুত্রে পাওয়া এবং হাশেম চৌধুরীর নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি ফিরে পেতে ফরিদপুর জেলার ভাংগা উপজেলার মুন্সেফ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৬১/১২,
১৪৭/১২, এবং ৪৪/১৫. এবং ফরিদপুর

আদালতেও একটা মামলা করেছেন যাহার নম্বর ৩১০/১৯. মামলা এখনো চলমান আছে বলে জানান মামলার বাদী আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

তিনি এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে জানান, আমার বাবা ১৯৩৪ এবং ১৯৪৭ সালে স্থানীয় বাইশরশি বাবু দের নিকট থেকে তাঁর নিজের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন।

এবং আমার দাদার নামের সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসেবে পাওয়া সহ সর্বমোট ৬ একর ৮০ শতাংশ জমির দাবী নিয়ে আদালতের সরাপন্ন হয়েছি।

তিনি আরো জানান, আমি দীর্ঘদিন সরকারি চাকুরী করার কারণে বাড়ির বাইরে থাকার কারণে আমি আমার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির খোঁজ খবর নিতে পারিনি।

গত ২০০৪ সালে আমি পেনসনে বাড়িতে আসার পরে আমার বাবার সব সম্পত্তির কাগজ পত্র উঠিয়ে দেখতে পাই যে আমার বাবার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে। পরবর্তীতে আমি বিভিন্ন জনের নিকট ঘোরাঘুরি করে পরে আদালতের সরাপন্ন হয়েছি।

বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ফিরে পেতে মাননীয় ভূমি মন্ত্রনালয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

http://এইচ/কে