ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

পাথরঘাটায় মৎস্য কর্মকর্তার মাসিক চাঁদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৯৭৩২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা বিষখালী নদীর জেলেরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মাসিক চাদা না দেয়াই দুই জেলেকে ডেকে নিয়ে এক বছরের জেল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধা সাড়ে ৫ টার দিকে কালমেঘা ইউনিয়নের টুলু পয়েন্ট এলাকায় ওই জেলে পরিবার ও স্থানীয় জেলেরা মানববন্ধন করেছেন।

এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তাদেরকে একই এলাকা থেকে তাদেরকে ডেকে বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ বছরের কারাদণ্ড দেন তারা।

দন্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো, উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্যকুপধন এলাকার আব্দুস সুলতান হাওলাদারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩৪) ও একই এলাকার মো. জালাল মাঝির ছেলে বেল্লাল (৩২)।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিমাসে প্রত্যেক নৌকা প্রতি, দুই হাজার টাকা করে পাথরঘাটা মৎস্য অফিসার জয়ন্ত কুমার আপুকে মাসোহারা দেয়া হতো। নদীতে মাছ না পড়ায় গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে পারছেন না। এর কারনে ক্ষোভে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, আমার স্বামী গত তিন মাস ধরে নদী মাছ শিকারে যায় না। বর্তমানে ক্ষেতে কৃষি কাজ করে। কিন্তু রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে জেলে দিয়েছে। এখন আমার ছোট ছোট দুই সন্তানদের নিয়ে হতাশায় আছি। এক বছর কিভাবে সংসার চলবে?

স্থানীয় জেলে কালাম হাওলাদার বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমাকেও তারা ডেকে নিয়ে নৌকায় তুলতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি দৌড়ে পালিয়েছি।

জেলে কালাম মৃধা জানান, আমরা এলাকার জেলেরা মিলে প্রতি মাসে মৎস্য অফিসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসোহারা দিতাম। নদীতে মাছ না পড়ায়ে গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে না পারায় তারা আমাদের সাথে ই আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমাড় অপু জানান, অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় তাদের আটক করা হয়েছে, কাউকে হয়রানী করার জন্য আটক করা হয়নি। আপনাকে মাসোয়ারা দিতে দেরি হওয়ায় তাদেরকে আটক করেছেন এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাথরঘাটায় মৎস্য কর্মকর্তার মাসিক চাঁদার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটা বিষখালী নদীর জেলেরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে মাসিক চাদা না দেয়াই দুই জেলেকে ডেকে নিয়ে এক বছরের জেল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধা সাড়ে ৫ টার দিকে কালমেঘা ইউনিয়নের টুলু পয়েন্ট এলাকায় ওই জেলে পরিবার ও স্থানীয় জেলেরা মানববন্ধন করেছেন।

এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তাদেরকে একই এলাকা থেকে তাদেরকে ডেকে বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ বছরের কারাদণ্ড দেন তারা।

দন্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলো, উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্যকুপধন এলাকার আব্দুস সুলতান হাওলাদারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩৪) ও একই এলাকার মো. জালাল মাঝির ছেলে বেল্লাল (৩২)।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিমাসে প্রত্যেক নৌকা প্রতি, দুই হাজার টাকা করে পাথরঘাটা মৎস্য অফিসার জয়ন্ত কুমার আপুকে মাসোহারা দেয়া হতো। নদীতে মাছ না পড়ায় গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে পারছেন না। এর কারনে ক্ষোভে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে সাজা দেওয়া হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালামের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, আমার স্বামী গত তিন মাস ধরে নদী মাছ শিকারে যায় না। বর্তমানে ক্ষেতে কৃষি কাজ করে। কিন্তু রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে জেলে দিয়েছে। এখন আমার ছোট ছোট দুই সন্তানদের নিয়ে হতাশায় আছি। এক বছর কিভাবে সংসার চলবে?

স্থানীয় জেলে কালাম হাওলাদার বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমাকেও তারা ডেকে নিয়ে নৌকায় তুলতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি দৌড়ে পালিয়েছি।

জেলে কালাম মৃধা জানান, আমরা এলাকার জেলেরা মিলে প্রতি মাসে মৎস্য অফিসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসোহারা দিতাম। নদীতে মাছ না পড়ায়ে গত তিন মাস ধরে মাসোহারা দিতে না পারায় তারা আমাদের সাথে ই আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমাড় অপু জানান, অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় তাদের আটক করা হয়েছে, কাউকে হয়রানী করার জন্য আটক করা হয়নি। আপনাকে মাসোয়ারা দিতে দেরি হওয়ায় তাদেরকে আটক করেছেন এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।