ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
  • / ৯৮২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

http://আহারিয়ার হোসেন

হিজরী বর্ষ পঞ্জিকার নবম মাসের নাম রমজান। এই মাস অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। এই মোবারক মাসেই শ্রেষ্ঠতম আসমানী গ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়। এই মাসেই ‘শবে কদর’ নিহিত। চান্দ বৎসরের বারো (১২) মাসের মধ্যে একমাত্র রমজান মাসের কথাই কুরআন মজীদে উল্লিখিত আছে। আল্লাহপাক বলেন,

‎‫شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ‬‎

অর্থাৎ-“রমজান সেই মাস, যাহাতে কুরআনকে অবতীর্ণ করা হইয়াছে।” (সূরা বাকারাহঃ ১৮৫)

ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। যথাঃ ঈমান, নামাজ, রোজা,

যাকাত ও হজ্ব। অন্যতম রোকন বা ভিত্তি ‘রোজা’র জন্য রমজান মাসকে নির্ধারণ করা হইয়াছে। রোজা কি? রোজা ফার্সী শব্দ। ইহার আভিধানিক অর্থ উপবাস। আরবী ভাষায় রোজার প্রতিশব্দ “ছাওমুন্”। ইহার মূলে আছে ছাওম। ছাওমুনের বহুবচন ছিয়াম। যাহার অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে ছুবহে ছাদেকের প্রারম্ভ হইতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হইতে বিরত থাকাই রোজা।

হিজরী দ্বিতীয় বর্ষে রোজাকে ফরজ বলিয়া ঘোষণা দেওয়া হয়। আল্লাহপাক বলেন,

‎‫يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ‬‎ ‎‫مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّيْكُمْ لَعَلَّكُمْ لَعَلِكُمْ لَعَلَّكُمْ‬‎ ‎‫تَتَّيْكُمُ َ مِنْكُمْ مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّمٍ أُخَرَ -‬‎

অর্থাৎ-“হে মোমিনগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হইয়াছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হইয়াছিল; যেন তোমরা পরহেযগারীর গুণে গুণান্বিত হইতে পার। অল্প কয়েকদিনের জন্য মাত্র। তোমাদের মধ্যে কেহ অসুস্থ থাকিলে অথবা ছফরে থাকিলে অন্য সময় হিসাব গণনা করিয়া রোজা রাখিবে।” (সূরা বাকারাঃ ১৮৩-১৮৪)

রোজা পালন করা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নর-নারীর জন্য ফরজ। রোজার ফরজিয়াতের উপর ঈমান রাখা অপরিহার্য। ইহা অস্বীকারকারী, কাফের।

হযরত আদম (আঃ) হইতে হযরত ঈসা (আঃ) পর্যন্ত সকল পয়গম্বরগণের সময়ে রোজা ফরজ ছিল। তবে কাহার আমলে কতদিন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু শরীয়তে পাওয়া যায় না।

ইসলামে নির্ধারিত সকল ইবাদতের মধ্যে রোজা মহান খোদাতায়ালার নিকট অধিক প্রিয়। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছেঃ রাসূলে পাক (সাঃ) বলিয়াছেন, মানব সন্তানের নেক আমল বাড়ানো হইয়া থাকে; প্রত্যেক নেক আমল দশ হইতে সাত শত গুণ পর্যন্ত। আল্লাহ বলেন, রোজা ব্যতীত। কেননা, রোজা আমারই জন্য এবং আমিই ইহার প্রতিফল দান করিব। সে আমারই জন্য আপন প্রবৃত্তি ও পানাহার ত্যাগ করে।

(মেশকাত শরীফ)

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
11 March 2024

রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত

www.Bangladesherbarta.com

রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত

আপডেট সময় : ০১:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪

http://আহারিয়ার হোসেন

হিজরী বর্ষ পঞ্জিকার নবম মাসের নাম রমজান। এই মাস অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। এই মোবারক মাসেই শ্রেষ্ঠতম আসমানী গ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়। এই মাসেই ‘শবে কদর’ নিহিত। চান্দ বৎসরের বারো (১২) মাসের মধ্যে একমাত্র রমজান মাসের কথাই কুরআন মজীদে উল্লিখিত আছে। আল্লাহপাক বলেন,

‎‫شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ‬‎

অর্থাৎ-“রমজান সেই মাস, যাহাতে কুরআনকে অবতীর্ণ করা হইয়াছে।” (সূরা বাকারাহঃ ১৮৫)

ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। যথাঃ ঈমান, নামাজ, রোজা,

যাকাত ও হজ্ব। অন্যতম রোকন বা ভিত্তি ‘রোজা’র জন্য রমজান মাসকে নির্ধারণ করা হইয়াছে। রোজা কি? রোজা ফার্সী শব্দ। ইহার আভিধানিক অর্থ উপবাস। আরবী ভাষায় রোজার প্রতিশব্দ “ছাওমুন্”। ইহার মূলে আছে ছাওম। ছাওমুনের বহুবচন ছিয়াম। যাহার অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে ছুবহে ছাদেকের প্রারম্ভ হইতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হইতে বিরত থাকাই রোজা।

হিজরী দ্বিতীয় বর্ষে রোজাকে ফরজ বলিয়া ঘোষণা দেওয়া হয়। আল্লাহপাক বলেন,

‎‫يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ‬‎ ‎‫مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّيْكُمْ لَعَلَّكُمْ لَعَلِكُمْ لَعَلَّكُمْ‬‎ ‎‫تَتَّيْكُمُ َ مِنْكُمْ مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّمٍ أُخَرَ -‬‎

অর্থাৎ-“হে মোমিনগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হইয়াছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হইয়াছিল; যেন তোমরা পরহেযগারীর গুণে গুণান্বিত হইতে পার। অল্প কয়েকদিনের জন্য মাত্র। তোমাদের মধ্যে কেহ অসুস্থ থাকিলে অথবা ছফরে থাকিলে অন্য সময় হিসাব গণনা করিয়া রোজা রাখিবে।” (সূরা বাকারাঃ ১৮৩-১৮৪)

রোজা পালন করা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নর-নারীর জন্য ফরজ। রোজার ফরজিয়াতের উপর ঈমান রাখা অপরিহার্য। ইহা অস্বীকারকারী, কাফের।

হযরত আদম (আঃ) হইতে হযরত ঈসা (আঃ) পর্যন্ত সকল পয়গম্বরগণের সময়ে রোজা ফরজ ছিল। তবে কাহার আমলে কতদিন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু শরীয়তে পাওয়া যায় না।

ইসলামে নির্ধারিত সকল ইবাদতের মধ্যে রোজা মহান খোদাতায়ালার নিকট অধিক প্রিয়। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছেঃ রাসূলে পাক (সাঃ) বলিয়াছেন, মানব সন্তানের নেক আমল বাড়ানো হইয়া থাকে; প্রত্যেক নেক আমল দশ হইতে সাত শত গুণ পর্যন্ত। আল্লাহ বলেন, রোজা ব্যতীত। কেননা, রোজা আমারই জন্য এবং আমিই ইহার প্রতিফল দান করিব। সে আমারই জন্য আপন প্রবৃত্তি ও পানাহার ত্যাগ করে।

(মেশকাত শরীফ)

http://এইচ/কে

Share this news as a Photo Card