ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার কৃতি সন্তান মোঃ মুমিনুল ইসলাম ইনটেলে যোগ দিচ্ছেন জবি রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ জিহাদ অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইলিয়াস আলীকে গুমের কারণ জানালেন সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন মাগুরায় অসচ্ছল পরিবারের বাড়িতে ঈদ বাজার পৌঁছে দিল জাহানারা বেগম ফাউন্ডেশন দ্যা রয়েল কারাতে-দো এসোসিয়েশনের ইফতার ও নতুন কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা মেট্রোপলিটনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ সুরেশ্বর দরবারে খাদেম হত্যা: গদীনশীন পীর অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

শবেবরাতে কি ভাগ্য লেখা হয়? যা বলছেন ইসলামি স্কলার

তাজওয়ার আহমেদ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৯৭৩২ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শবেবরাত ফারসি ভাষার শব্দ। ‘শব’ মানে রাত, ‘বরাত’ মানে মুক্তি। আরবি শব্দ ‘বারাআত’র অর্থও মুক্তি। তাই শবেবরাত অর্থ হবে মুক্তির রাত। প্রতি বছর হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতটি ‘শবেবরাত’ হিসেবে পালন করা হয়।

হাদিস শরিফে রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা ‘শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী’ আখ্যায়িত করা হয়েছে। সঙ্গে বলা হয়েছে, এটি এমন একটি রাত, যে রাতে বান্দাকে তার প্রতিপালক গোনাহ থেকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমা করে দেন। এখান থেকেই ফার্সিতে এটিকে ‘শবেবরাত’ আখ্যা দেওয়া হয়। মানে মুক্তির রাত।

মহিমান্বিত এই রজনী ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো, শবেবরাতে মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় বা লেখা হয়। বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এক আলোচনায় তিনি জানান, ‘শবেবরাতে ভাগ্য লেখা হয়’- এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ধারণা।

তিনি বলেন, শবেবরাতে ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় না। মানুষের তাকদির লিপিবদ্ধ হয় শবেকদরে।

আহমাদুল্লাহ জানান, পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় কোরআন নাজিলের রাতে।

ইরশাদ হয়েছে, حٰمٓ. وَ الۡكِتٰبِ الۡمُبِیۡنِ. اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃٍ مُّبٰرَكَۃٍ اِنَّا كُنَّا مُنۡذِرِیۡنَ. فِیۡهَا یُفۡرَقُ كُلُّ اَمۡرٍ حَكِیۡمٍ. اَمۡرًا مِّنۡ عِنۡدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرۡسِلِیۡنَ

অর্থ : হা-মিম! সুস্পষ্ট কিতাবের কসম! নিশ্চয়ই আমি তা নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, আমি তো সতর্ককারী। সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয় আমার নির্দেশে। আমিই রাসুল প্রেরণকারী। (সুরা দুখান ১-৫)।

এই আয়াতে ‘বরকতময় রাত’ বলে ‘শবেকদর’ বোঝানো হয়েছে। কারণ, সুরা কদরে বলা হয়েছে, কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে কদরের রাতে।

মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ

অর্থ : নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। (সুরা কদর : ১)

ইসলামি এই স্কলার বলেন, উল্লিখিত আয়াত দুটির আলোকে বোঝা যায়, মানুষের ভাগ্য লিপিবদ্ধ হয় কদরের রাতে, শবেবরাতে নয়।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
30 January 2026

শবেবরাতে কি ভাগ্য লেখা হয়? যা বলছেন ইসলামি স্কলার

www.Bangladesherbarta.com

শবেবরাতে কি ভাগ্য লেখা হয়? যা বলছেন ইসলামি স্কলার

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

শবেবরাত ফারসি ভাষার শব্দ। ‘শব’ মানে রাত, ‘বরাত’ মানে মুক্তি। আরবি শব্দ ‘বারাআত’র অর্থও মুক্তি। তাই শবেবরাত অর্থ হবে মুক্তির রাত। প্রতি বছর হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ রাতটি ‘শবেবরাত’ হিসেবে পালন করা হয়।

হাদিস শরিফে রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা ‘শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী’ আখ্যায়িত করা হয়েছে। সঙ্গে বলা হয়েছে, এটি এমন একটি রাত, যে রাতে বান্দাকে তার প্রতিপালক গোনাহ থেকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমা করে দেন। এখান থেকেই ফার্সিতে এটিকে ‘শবেবরাত’ আখ্যা দেওয়া হয়। মানে মুক্তির রাত।

মহিমান্বিত এই রজনী ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো, শবেবরাতে মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় বা লেখা হয়। বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এক আলোচনায় তিনি জানান, ‘শবেবরাতে ভাগ্য লেখা হয়’- এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ধারণা।

তিনি বলেন, শবেবরাতে ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় না। মানুষের তাকদির লিপিবদ্ধ হয় শবেকদরে।

আহমাদুল্লাহ জানান, পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় কোরআন নাজিলের রাতে।

ইরশাদ হয়েছে, حٰمٓ. وَ الۡكِتٰبِ الۡمُبِیۡنِ. اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃٍ مُّبٰرَكَۃٍ اِنَّا كُنَّا مُنۡذِرِیۡنَ. فِیۡهَا یُفۡرَقُ كُلُّ اَمۡرٍ حَكِیۡمٍ. اَمۡرًا مِّنۡ عِنۡدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرۡسِلِیۡنَ

অর্থ : হা-মিম! সুস্পষ্ট কিতাবের কসম! নিশ্চয়ই আমি তা নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে, আমি তো সতর্ককারী। সে রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয় আমার নির্দেশে। আমিই রাসুল প্রেরণকারী। (সুরা দুখান ১-৫)।

এই আয়াতে ‘বরকতময় রাত’ বলে ‘শবেকদর’ বোঝানো হয়েছে। কারণ, সুরা কদরে বলা হয়েছে, কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে কদরের রাতে।

মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ

অর্থ : নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। (সুরা কদর : ১)

ইসলামি এই স্কলার বলেন, উল্লিখিত আয়াত দুটির আলোকে বোঝা যায়, মানুষের ভাগ্য লিপিবদ্ধ হয় কদরের রাতে, শবেবরাতে নয়।

Share this news as a Photo Card