ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ ::
কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি স্ত্রী হত্যা মামলায় জেল খাটেন স্বামী, ১২ বছর পর সেই মৃত স্ত্রী জীবিত উদ্ধার তরুণদের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার, আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা রয়েলের আছিয়া গণি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ বেবি পাউডারে ক্যানসারের ঝুঁকি, মামলা সরাতে ৬৮ হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জনসন্স সিংগাইর গ্রাম আদালত পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ পাটগ্রামে মাদরাসা শিক্ষকের ওপর হামলা ও আটক রাখার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কাউটের দীক্ষা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় অভিযানের ভয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে পালিয়েছে সবাই

বাংলাদেশের বার্তা
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
  • / ৯৭৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি।

হাসপাতালের নেই কোন লাইসেন্স। এমন খবরে হাসপাতালে শুরু হয় অভিযান। কিন্তু অভিযানের ভয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে পালিয়ে গেছে সবাই, কিন্তু হাসপাতাল খালি পরে আছে। নেই অভ্যর্থনাকারী। না আছে কোন চিকিৎসক। না আছে কোন নার্স বা প্যাথলজিস্ট, জ্বলছিলনা কোন লাইট। যেন ভুতের আস্তানা। অথচ গতকালও এই হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। এমন ঘটনা কুমিল্লার একটি হাসপাতালের। নাম কুইন্স ডিজিটাল হাসপাতাল লিমিটেড।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) কুমিল্লার নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকার এই হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের অভিযানে এমন ভয়াবহ জালিয়াতির কথা সামনে আসে। পরে হাসপাতালটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে সিলগালা করা হয়।

সূত্র জানায়, হাসপাতালটির কোন লাইসেন্স কিংবা অনুমতিপত্র ছিল না। নিয়ম না মেনেই সাত তলা আবাসিক ভবনের পাঁচটি ফ্লোরের ফ্ল্যাট গুলোকে কেবিন ও ওয়ার্ড বানিয়ে কুইন্স ডিজিটাল হাসপাতাল নামের কথিত এই সেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে নগরীর এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোন ডিউটি ডাক্তার ছাড়াই চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিল। হাসপাতালে অভিযানে ভয়ে সকাল থেকেই হাসপাতাল কতৃপক্ষ হাসপাতাল রেখে পালিয়ে যায়। যদিও ভববের কেয়ারটেকার বলছেন তিন মাসের ভাড়া বকেয়া থাকায় তাদের চলে যেতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার অভিযানের সময়ও কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে ছিল না কোন রোগী বা চিকিৎসক অথবা দায়িত্বরত কোন কর্মকর্তা। পুরো ভবনের কেয়ারটেকার হাসপালের সামনে বসে ছিলেন। এসময় বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগিতা নিয়ে ওই হাসপাতাল কতৃপক্ষকে ডেকে এনে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। পরে কোন কাগজপত্র না দেখাতে পারায় দুই লাখ টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান ও ডা. মো. আবদুল কাইয়ুম। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান জানান, হাসপাতালটি অনুমতি ছাড়া অস্ত্রোপচার, রোগী ভর্তি, বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষা চালিয়ে আসছিল। এছাড়াও হাসপাতালে গিয়ে কোন ডিউটি ডাক্তার বা কতৃপক্ষকে পাওয়া যায় নি। এমন অভিযোগে তাদের দুই লাখ টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্র্যাট ইমদাদুল হক জানান, অভিযান পরিচালনাকালে কুইন্স হাসপাতাল তাদের বৈধতার কোন কাগজ দেখাতে পারিনি তাই তাদেরকে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লায় অভিযানের ভয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে পালিয়েছে সবাই

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি।

হাসপাতালের নেই কোন লাইসেন্স। এমন খবরে হাসপাতালে শুরু হয় অভিযান। কিন্তু অভিযানের ভয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে পালিয়ে গেছে সবাই, কিন্তু হাসপাতাল খালি পরে আছে। নেই অভ্যর্থনাকারী। না আছে কোন চিকিৎসক। না আছে কোন নার্স বা প্যাথলজিস্ট, জ্বলছিলনা কোন লাইট। যেন ভুতের আস্তানা। অথচ গতকালও এই হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। এমন ঘটনা কুমিল্লার একটি হাসপাতালের। নাম কুইন্স ডিজিটাল হাসপাতাল লিমিটেড।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) কুমিল্লার নগরীর টমছম ব্রিজ এলাকার এই হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের অভিযানে এমন ভয়াবহ জালিয়াতির কথা সামনে আসে। পরে হাসপাতালটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে সিলগালা করা হয়।

সূত্র জানায়, হাসপাতালটির কোন লাইসেন্স কিংবা অনুমতিপত্র ছিল না। নিয়ম না মেনেই সাত তলা আবাসিক ভবনের পাঁচটি ফ্লোরের ফ্ল্যাট গুলোকে কেবিন ও ওয়ার্ড বানিয়ে কুইন্স ডিজিটাল হাসপাতাল নামের কথিত এই সেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে নগরীর এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোন ডিউটি ডাক্তার ছাড়াই চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিল। হাসপাতালে অভিযানে ভয়ে সকাল থেকেই হাসপাতাল কতৃপক্ষ হাসপাতাল রেখে পালিয়ে যায়। যদিও ভববের কেয়ারটেকার বলছেন তিন মাসের ভাড়া বকেয়া থাকায় তাদের চলে যেতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার অভিযানের সময়ও কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে ছিল না কোন রোগী বা চিকিৎসক অথবা দায়িত্বরত কোন কর্মকর্তা। পুরো ভবনের কেয়ারটেকার হাসপালের সামনে বসে ছিলেন। এসময় বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগিতা নিয়ে ওই হাসপাতাল কতৃপক্ষকে ডেকে এনে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। পরে কোন কাগজপত্র না দেখাতে পারায় দুই লাখ টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান ও ডা. মো. আবদুল কাইয়ুম। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান জানান, হাসপাতালটি অনুমতি ছাড়া অস্ত্রোপচার, রোগী ভর্তি, বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষা চালিয়ে আসছিল। এছাড়াও হাসপাতালে গিয়ে কোন ডিউটি ডাক্তার বা কতৃপক্ষকে পাওয়া যায় নি। এমন অভিযোগে তাদের দুই লাখ টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্র্যাট ইমদাদুল হক জানান, অভিযান পরিচালনাকালে কুইন্স হাসপাতাল তাদের বৈধতার কোন কাগজ দেখাতে পারিনি তাই তাদেরকে জরিমানা ও সিলগালা করা হয়েছে।